করোনাভাইরাস

সীমিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২০, ০৪:৪৫ এএম

করোনাভাইরাসের কারণে এবারের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও কাটছাঁট করা হয়েছে। খুবই সীমিত পরিসরে সীমিতসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এ অনুষ্ঠান করা হবে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠান সীমিতসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ ও ২৬ মার্চ পালনকালে ব্যাপক জনসমাবেশকে আমরা নিরুৎসাহিত করছি। দিবসটি উপলক্ষে কোনো আউটডোরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ওভারহেড তোরণ কিছুই করা হবে না। উন্মুক্ত স্থানে জনসমাগম না করার জন্য নিরুৎসাহিত করছি। এটা করোনাভাইরাসের জন্য, এটা যাতে আর না ছড়ায়। তবে ২৬ মার্চ দেরি আছে, সিচুয়েশন যদি ইমপ্রুভ করে তখন দেখা যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামসহ দেশের সব বিভাগ ও জেলা উপজেলা পর্যায়ে কুচকাওয়াজ এবং ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ আয়োজন করা হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানাবে। পিএম অফিস সিদ্ধান্ত জানালে, এটা যদি হয় তাহলে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেখানেও জোরদার থাকবে।’

একাত্তরের গণহত্যা ও কালরাত স্মরণে ২৫ মার্চ রাত ৯টায় সারা দেশে সরকার এক মিনিট প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ কর্মসূচি পালন করবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আগামী ২৫ মার্চ রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে বাতি নিভিয়ে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করব। তবে জরুরি স্থাপনা বা কেপিআই যেমন হাসপাতাল এবং অন্যান্য স্থানে যেখানে ব্ল্যাক আউট করলে অসুবিধা হবে এবং চলমান যানবাহন এর বাইরে থাকবে। এই কর্মসূচি পালন করার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ করছি।’

রেশনের আওতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা : মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে এক হাজার কর্মীকে রেশন সুবিধার আওতায় এনেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের দশম থেকে নিম্ন গ্রেডের কর্মীরা এখন থেকে প্রতি মাসে ‘নামমাত্র মূল্যে’ রেশন পাবেন। গতকাল সচিবালয়ে অধিদপ্তরের ৫ কর্মীর হাতে প্রতীকী রেশন কার্ড তুলে দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে যারা মাঠে-ময়দানে কাজ করেন তারা রেশন পেতে আবেদন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের সেই সুবিধা দিয়েছেন। সর্বোচ্চ চার সদস্যের পরিবারের জন্য এ রেশন দেওয়া হবে।’

দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে জানিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, চার সদ্যসের একটি পরিবার ১ টাকা ৯ পয়সা কেজি দরে ৩৫ কেজি চাল, ১ টাকা ৪ পয়সা কেজিতে ৩০ কেজি আটা, ৩ টাকা ২১ পয়সা কেজিতে পাঁচ কেজি চিনি, ১ টাকা ২০ পয়সা কেজিতে আট কেজি মসুর ডাল এবং ২ টাকা ৩০ পয়সা লিটার দরে আট লিটার সয়াবিন তেল পাবেন। ভর্তুকি মূল্যে সরকার এসব জিনিসপত্র দেবে। এজন্য বছরে সরকারের খরচ হবে ১ কোটি ৯২ লাখ ৩৬ হাজার ৯১২ টাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত