দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরিচালনা কমিটি গঠনে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় মোমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির অন্য সদস্যদের ভাষ্য, জালিয়াতি করে নিজের ছেলে ও পছন্দের ব্যক্তিকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন প্রধান শিক্ষিকা শিরিনা বেগম।
এ নিয়ে গত বুধবার বিকেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন কমিটির বর্তমান সদস্য ইউপি মেম্বার তৌফিকুল ইসলাম শাহসহ আরও ৪ সদস্য। সেখানে বলা হয়, গত ৭ মার্চ লাখো কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শীর্ষক অনুষ্ঠানের মিটিংয়ের কথা বলে সবার কাছ থেকে ফাঁকা রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ইচ্ছেমতো স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পদে যশাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কৈলাশ চন্দ্র সরকার (৪০) ও প্রধান শিক্ষিকার ছেলে শহিদুজামান ফিরোজকে (৩২) সহসভাপতি পদে নির্বাচিত দেখিয়ে রেজুলেশন সম্পন্ন করা হয়। এমন খবর প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পার্বতীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল বারী খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তাই এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। তবে স্কুলটি আমার ক্লাস্টারের অধীনে হওয়ায় কমিটি গঠনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রবিধি কোনোভাবে লঙ্ঘনের সুযোগ দেওয়া হবে না।’
এদিকে কমিটিতে নিজ ছেলেকে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষিকা শিরিনা বেগম। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কমিটি গঠনে কোনোভাবেই সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়নি।’
