লেখক ও লোক গবেষক আশরাফ সিদ্দিকী বুধবার রাত সোয়া ৩টায় রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। পরে বৃহস্পতিবার বাদ জোহর ধানম-ির শাহী মসজিদে জানাজার পর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
আশরাফ সিদ্দিকীর মেয়ে তাসনিম সিদ্দিকী গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বাবা বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এক মাস ধরে শ্বাসনালি এবং খাদ্যনালিতে সমস্যা হয়েছিল। পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বেশি লোক জমায়েত চাই না। এজন্য বাংলা একাডেমিতে মরদেহ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা চেয়েছি, এই পরিস্থিতিতে সবাই যেন বাসায় থেকে বাবার জন্য দোয়া করেন। বাদ জোহর ধানম-ির শাহী মসজিদে জানাজার পর বিকেল সাড়ে ৩টায় বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।’
বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন যেসব ব্যক্তিত্ব আশরাফ সিদ্দিকী তাদের একজন। চল্লিশের দশকের শুরুতে কবি হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। সাহিত্যিক জীবনে তিনি রচনা করেছেন অসংখ্য কবিতা। বাংলার লোকঐতিহ্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। একাধারে তিনি প্রবন্ধকার, লোকসাহিত্যিক, ছোটগল্পকার এবং শিশুসাহিত্যিক। রচনা করেছেন ৭৫টি গ্রন্থ এবং অসংখ্য প্রবন্ধ।
×
