করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সেরেনা উইলিয়ামস স্বেচ্ছা গৃহবন্দী করে রেখেছেন নিজেকে। দুই সপ্তাহ ধরে ঘরেই সময় কাটছে তার। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। এখন তীব্র ভয় কাজ করছে সেরেনার মনে। সেটা এমন পর্যায়ে যে, কেউ হাঁচি-কাশি দিলেই ভয় পাচ্ছেন তিনি।
২৩টি গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী তারকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানেই করোনা আতঙ্ক নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
মার্কিন টেনিস তারকা বলেন, ‘করোনায় আমার কিছু হবে না- শুরুতে মনের মধ্যে অদ্ভুত এক ধারণা ছিল। তারপর ইন্ডিয়ান ওয়েলস বাতিল হয়ে গেল। সেই সময় ভেবেছিলাম, যাক ক’দিন ছুটি পাওয়া গেছে, চুটিয়ে আনন্দ করব। এরপর তো একের পর এক টুর্নামেন্ট বাতিল হতে লাগল, আর বাড়তে থাকল চিন্তা। প্রায় দুই সপ্তাহ হয়ে গেল সবার থেকে দূরে আছি। ছোট খাট বিষয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে।’
এই দুশ্চিন্তার মাত্রা কোথায় পৌঁছেছে সেরেনা বলেছেন সেটিও, ‘এখন তো দুশ্চিন্তার চরম সীমায় পৌঁছেছি। আশপাশে কেউ হাঁচি বা কাশি দিলেই প্রচণ্ড ভয় লাগছে।’
‘কারও সঙ্গে কোথাও বেরোচ্ছি না। এই তালিকায় আমার ছোট্ট মেয়েও আছে। আসলে ওর সর্দি–কাশি হয়েছে। সেটা দেখে মেয়ের ওপর খুব রেগে গিয়েছিলাম। ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকিয়েও ছিলাম। পরে অবশ্য মন খারাপ হয়েছে। তখন অন্য চিন্তা ঘিরে ধরেছে। ও সুস্থ আছে? আমার মেয়ের কিছু হয়নি তো?’
সব মিলে সেরেনার সময় কাটছে খুব আতঙ্কে, ‘এই অবস্থায় আমার কী করণীয়? এই অবস্থায় ঠিক কী করা উচিত, আমি সত্যিই জানি না। তাই হালকা মেজাজে থাকার বদলে প্রচণ্ড চাপে আছি।’
