করোনাভাইরাসের মহামারি অবস্থার মধ্যে টোকিও অলিম্পিকসহ একে একে স্থগিত করা হয়েছে বিশ্বের প্রায় সব ক্রীড়া ইভেন্ট। আশঙ্কা তৈরি হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও। ২৯ মার্চ এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বৈঠকে বসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (আইসিসি)।
এদিন আইসিসি’র বোর্ড সদস্যরা টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করবেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর সময় মতোই মাঠে গড়াবে কি-না তা জানা যাবে ওই বৈঠকেই।
সূচি অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হওয়ার কথা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর। ১৫ নভেম্বর সিডনিতে হওয়ার কথা ষোলো দলের এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল।
করোনাভাইরাসের আক্রমণে পড়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২,১০০; মৃতের সংখ্যা ৮। কোরানাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে রোধে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। কেবল অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ছাড়া আর কেউ দেশটিতে ঢুকতে পারবে না।
বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে বাকি আর সাত মাস। এই সময়ের মধ্যে করোনা দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সংগত কারণেই বিশ্বকাপ সময়মতো মাঠে গড়ানো নিয়ে উদ্বিগ্ন আইসিসি।
যদিও সূচি অনুযায়ীই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কয়েকদিন আগে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া- সিএ’র প্রধান কেভিন রবার্টস।
তিনি বলেছিলেন, “আমরা সত্যিই আশা করছি, আগামী কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস সময়ের মধ্যে সব ধরনের খেলা শুরু করতে পারব। এই পরিস্থিতিতে আমরা কেউই বিশেষজ্ঞ নই। তবে আমাদের প্রত্যাশা, অক্টোবর-নভেম্বরে যে সময়টায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হবে তখন অবস্থা খুব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১৫ নভেম্বরের ফাইনালে দর্শকে পরিপূর্ণ থাকবে, যেমনটা নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে হয়েছিল।”
করোনাভাইরাসের কারণে এরই মধ্যে ক্রিকেটের সব ধরনের ইভেন্ট স্থগিত করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও স্থগিত হলে টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠান নিয়ে বড় ঝামেলায় পড়বে আইসিসি। কেননা সূচি অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম আসর আগামী বছরই, স্বাগতিক ভারত।
