চলে গেলেন ‘ডাকওয়ার্থ-লুইস’ পদ্ধতির লুইস

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২০, ১১:৫২ এএম

সীমিত ওভারের বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের ফল যে ডাকওয়ার্থ-লুইস বা ডিএল পদ্ধতিতে নির্ধারিত হয় সেই নিয়মের দুই প্রবর্তকের একজন টনি লুইস আর নেই। বুধবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

মৃত্যুকালে লুইসের বয়স হয়েছিল ৭৮। যুক্তরাজ্যের এই গণিতজ্ঞের মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড- ইসিবি, “গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ইসিবি জেনেছে যে টনি লুইস এমবিই ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন।”

“টনি ও ফ্রাঙ্কের অবদানের কাছে অনেক ঋণী ক্রিকেট। আমরা টনির পরিবারের প্রতি আমাদের শোক প্রকাশ করছি।”

আরেক ব্রিটিশ গণিতবিদ ফ্রাঙ্ক ডাকওয়ার্থের সঙ্গে মিলে ক্রিকেটে বৃষ্টি আইন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন লুইস। তাদের নাম অনুসারে এই পদ্ধতির নামকরণ হয়- ডাকওয়ার্থ-লুইস বা ডিএল মেথড, বাংলায় এটাকে বৃষ্টি আইনও বলা হয়ে থাকে।

১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে জিম্বাবুয়ে-ইংল্যান্ড মধ্যকার এক ওয়ানডে ম্যাচে নিয়মের প্রথম প্রয়োগ হয়। জিম্বাবুয়েকে ২০০ রানে অলআউট করা ইংল্যান্ড ৪২ ওভারে লক্ষ্য পেয়েছিল ১৮৬ রানের। ম্যাচটি ৭ রানে হারে ইংলিশরা।

নিয়মটি ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি। ২০১৪ সালে কুইন্সল্যান্ডের আরেক গণিতবিদ স্টিভেন স্টার্ন আধুনিক ক্রিকেটের স্কোরিং-রেট বিবেচনায় এই বৃষ্টি আইনে সামঞ্জস্য আনেন। সেই সঙ্গে ডাকওয়ার্থ ও লুইসের সঙ্গে এই আইনে নাম জুড়ে যায় স্টার্নের। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে চালু হয় ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতি।

লুইসের জন্ম ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ারের বোল্টনে। গণিত ও পরিসংখ্যানের ওপর শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। ক্রিকেট ও গণিতে অবদানের জন্য লুইস ও ডাকওয়ার্থকে ২০১০ সালে এমবিই পদবি দেয় বৃটিশ সরকার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত