এক বছর ৩০% বেতন পাবেন না ভারতের মন্ত্রী-এমপিরা

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২০, ০২:০১ এএম

প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী ও সাংসদদের বেতন থেকে ৩০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এই অর্থ খরচ হবে করোনাভাইরাস ও তার পরবর্তী পরিস্থিতির মোকাবিলায়। গতকাল দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভারতের পরিবেশবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, সাংসদ উন্নয়নের টাকাও খরচ হবে ওই খাতে।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলাকায় উন্নয়নের কাজের জন্য সাংসদদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই টাকা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রকল্প তৈরি করে উন্নয়নের কাজ হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় সাংসদদের সেই উন্নয়ন তহবিলের টাকা দু’বছরের জন্য বরাদ্দ করা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। দু’বছরে এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৭৯০০ কোটি টাকা বলে জানান জাভড়েকর।

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু এবং সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্যপালরাও তাদের বেতনের ৩০ শতাংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান প্রকাশ জাভড়েকর। তাদের না নেওয়া বেতন এবং মন্ত্রী-সাংসদদের বেতনের অংশ একটি তহবিলে জমা হবে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সেখান থেকেই অর্থ খরচ হবে।

ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর এই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয় ভিডিও কনফারেন্সে। প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ‘১৯৫৪ সালের মন্ত্রী-সাংসদদের বেতন, ভাতা ও পেনশন আইনে পরিবর্তন আনার জন্য একটি অর্ডিন্যান্সে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। সাংসদদের পেনশনের  ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত