বেশিরভাগ ব্যাংক বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবের গ্রাহকরা। ভৈরবে ২৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা এই চারটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে এবি ও এনআরবিসি বাদে ২০টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারছেন না। অনেক ব্যাংক গেটে ৫-১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধের নোটিস ঝুলিয়ে রেখেছে। আবার অনেকে তাও করেনি।
ভৈরব ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এবি ব্যাংক ম্যানেজার মো. হাবিবুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন সীমিত পরিসরে লেনদেন করতে বললেও প্রতিটি ব্যাংক তাদের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে পরিচালিত হয়। যারা শাখা বন্ধ রেখেছে, তারা নিশ্চয় তাদের কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই বন্ধ রেখেছে।
