‘ঘুষ দিয়ে বিশ্বকাপ স্বাগতিক হয়নি কাতার’

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০১:৩৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সোমবার নথি প্রকাশ করেছে, ২০২২ সালে বিশ্বকাপ স্বাগতিক হতে বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা’র কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছিল কাতার। এর কঠিন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটি। দোহার ভাষায় এসব অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে ‘কঠোরভাবে লড়বে’ তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক হতে কাতারের মতো ফিফার কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছিল রাশিয়াও। এরই মধ্যে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ক্রেমলিন।

কাতার বলেছে, বিশ্বকাপের স্বাগতিক হওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথিতে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেসব ‘বলিষ্ঠভাবে প্রত্যাখ্যান’ করছে তারা।

২০১৫ সালে ফিফার ব্যাপক দুর্নীতির ঘটনা এবং তৎকালীন সভাপতি সেপ ব্লাটারের পদত্যাগের সঙ্গে ‘ঘুষ’ দিয়ে রাশিয়া ও কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার ব্যাপারগুলোও জড়িত বলে নথিতে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, বিশ্বকাপ স্বাগতিক হতে ওই সময়ে ৯০টির বেশি অপরাধে জড়িয়েছে কাতার। তাতে জড়িত মোট ৪৫ জন ব্যক্তি এবং বেশ কয়েকটি স্পোর্টস কোম্পানি। এসব ব্যক্তি ও কোম্পানিকে ২০ কোটি ডলারের বেশি ঘুষ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে নথিতে।

এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দিয়ে কাতারের সুপ্রিম কমিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, “এসব (ফিফার দুর্নীতি) দীর্ঘমেয়াদি বিষয়াদি। এসব ২০১৮ বা ২০২২ বিশ্বকাপে নিলাম প্রক্রিয়া জড়িত বিষয় নয়।”

“বছরের পর বছর এসব মিথ্যা অভিযোগের পরও এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, ফিফার নিলামের কঠিন নিয়ম ভঙ্গ করে অনৈতিক বা অন্য কোনো উপায়ে ফিফা ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের সত্ত্ব পেয়েছে কাতার।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত