আগামী সাত দিনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট তৈরি করে তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করা যাবে বলে আশা করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গতকাল শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট তৈরিতে সমস্যা দেখা দেয় গত শুক্রবার। এতে করে কিট তৈরির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি স্থগিত করা হয় সরকারের কাছে হস্তান্তর অনুষ্ঠান। এখন যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে আবার নতুন করে কিট তৈরির কাজ চলছে।
কিট হস্তান্তরের পরপরই যেন দ্রুত করোনাভাইরাস শনাক্তে ব্যবহার করা হয় সরকারকে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
তিনি জানান, এই কিট দিয়ে মাত্র ১৫ মিনিটে কারও শরীরে করোনাভাইরাস আছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি দামও পড়বে কম। মাত্র ২৫০ টাকা।
কিট হস্তান্তর বিলম্ব হওয়ার পেছনে যান্ত্রিক ত্রুটি ছাড়া অন্য কোনো কারণ আছে কি না এমন প্রশ্নোত্তরের জবাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। তবে আমরা এখন সতর্ক হয়েছি। সতর্কতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্যের নিজস্ব কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের কাছে ১০ হাজার করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট সরবরাহ করার কথা ছিল। সাভারে নিজস্ব ল্যাবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের একদল চিকিৎসক কিট তৈরিতে কাজ করছেন। গত শুক্রবার হঠাৎ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নির্ধারিত দিনে কিট সরকারকে দেওয়া যাচ্ছে না।
