করোনাভাইরাসের কারণে দেশে চলমান সাধারণ ছুটির মধ্যে দেশের সব শিল্প এলাকায় ব্যাংকের শাখা সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে যেসব ব্যাংকের অনলাইন সুবিধা নেই সেগুলোর সব শাখা সীমিত আকারে খোলা রাখতে হবে। পাশাপাশি সব ব্যাংকের প্রত্যেক জেলা সদরে অথবা জেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অন্তত একটি শাখা খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এমন নির্দেশনা দিয়ে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীকে অবহিত করে সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বেশিরভাগ ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকায় তৈরি পোশাকসহ শিল্পঘন এলাকায় শ্রমিকের বেতন পরিশোধে অসুবিধা হচ্ছে। এ কারণে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রদানের সুবিধার্থে শিল্প এলাকায় ব্যাংক শাখা সীমিত আকারে খোলা রাখার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনলাইন সুবিধা আছে এমন ব্যাংকগুলো গ্রাহকের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখবে। তবে যেসব ব্যাংকের অনলাইন সুবিধা নেই তাদের সব শাখা খোলা রাখতে হবে।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য দুপুর ২টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে।
জেলা সদর অথবা জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান বিবেচনায় ব্যাংকের অন্তত একটি শাখা খোলা রাখতে হবে। একই সঙ্গে মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ে সব এডি শাখা (যেখানে বৈদেশিক লেনদেন সম্পন্ন হয়) খোলা রাখতে হবে। তবে দেশের অন্যান্য এলাকায় নিজ বিবেচনায় নির্বাচিত এডি শাখা খোলা রাখতে হবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে সমুদ্র, স্থল, বিমানবন্দর এলাকায় ব্যাংক শাখা খোলা রাখতে হবে।
