বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অনলাইনে শিশুদের যৌন নিপীড়নের কনটেন্টে (সিএসএএম) চতুর্থ বাংলাদেশ। তালিকায় এর আগেই রয়েছে উপমহাদেশের অন্য দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু।
দ্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেন (এনসিএমইসি) অনলাইনে সিএসএএম সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে তাদের সাইবার টিপ লাইন প্ল্যাটফর্মে আরজি জানায়। সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
তালিকার শীর্ষে আছে বৃহৎ ও জনবহুল দেশ ভারত। ১৯.৮৭ লাখ অভিযোগ নিয়ে তালিকায় তাদের হিস্যা ১১.৭ শতাংশ। এরপর সাড়ে ১১ লাখ অভিযোগ নিয়ে পাকিস্তান ৬.৮ শতাংশ। আর চতুর্থ অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের অভিযোগ সাড়ে ৫ লাখ, যা মোট ৩.৩ শতাংশ।
চলতি বছরে এনসিএমইসি মোট ১ কোটি ৬৮ লাখ অভিযোগ পেয়েছে। সেখানে স্থিরচিত্র ও ভিডিওতে শিশুদের যৌন দৃষ্টিকোন থেকে দেখানো নিয়ে অভিযোগ করা হয়।
এনসিএমইসি জানায়, শিশু নির্যাতনের সামগ্রীর আপলোডের ভৌগলিক সূচক ধরে এই তালিকা করা হয়েছে। তবে এখানে অনেকেই প্রক্সি ব্যবহার করেছেন।
তালিকার শীর্ষ চার দেশের মধ্যে তিনটিই দক্ষিণ এশিয়ায় হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে আছেন ইউকে কাউন্সিল অন চাইল্ড ইন্টারনেট সেফটির নির্বাহী বোর্ডের সদস্য জন কার। একে তিনি ‘বিস্ময়কর’ বলে উল্লেখ করেন।
তুলির সেন্টার ফর প্রিভেনশন অব চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজের বিদ্যা রেড্ডির মতে, যৌন উদ্দীপনা সৃষ্টিতে এই অঞ্চলে শিশুদের ছবি ব্যবহারের দিকে নজর রাখতে হবে।
এ ছাড়া বর্তমান করোনাজনিত লকডাউনে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। এই নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা।
