ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড পত্রিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন একটি পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির অভিযোগ তুলে চারটি প্রধান সংবাদপত্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক না রাখার ঘোষণা দিলেন তারা।
হলিউড রিপোর্টার জানায়, রবিবার ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্সের মুখপাত্র এই বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে দ্য সান, মেইল, মিরর ও এক্সপ্রেসের সম্পাদককে।
সেখানে বলা হয়, নতুন নীতি ‘জিরো অ্যাঙ্গেজমেন্টের’ কারণে পত্রিকাগুলোর সাংবাদিকদের কোনো ধরনের অনুসন্ধানে সহযোগিতা করবে না এই দম্পতি। প্রয়োজন হলে তারা লিগ্যাল টিমের মাধ্যমে কথা বলবেন।
হ্যারি ও মেগান জানান, তারা কোনোভাবেই ‘ক্লিকবেইট’ ও বিকৃত খবরের মাধ্যমে অর্থের উৎস হবেন না। কারণ এই সংবাদমাধ্যমগুলো তাদের নিয়ে বিকৃত, মিথ্যা ও কারণ ছাড়াই আক্রমণাত্নক খবর ছাপে।
যখন দায়িত্ব ছাড়াই ক্ষমতা উপভোগ করা হয়, তখন সংবাদমাধ্যমের মতো অতি প্রয়োজনীয় শিল্পে বিশ্বাস হ্রাস পায়— এমন মন্তব্যও করা হয় চিঠিতে।
রবিবার যখন মেইলের সঙ্গে ভার্চুয়াল কোর্টের শুনানির জন্য মার্কেল প্রস্তুত হচ্ছিলেন তখন এই চিঠি পেলেন চার সম্পাদক। সম্প্রতি পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন বাবাকে মেগানের লেখা এটি চিঠি ফাঁস করে সংবাদমাধ্যমটি। এর জেরে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। শুক্রবার এই শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এর আগে ট্যাবলয়েডগুলোর বিরুদ্ধে স্ত্রীর নামে ‘নিষ্ঠুর’ প্রচারণার অভিযোগ তোলেন প্রিন্স হ্যারি।
কয়েক মাস আগে ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন হ্যারি ও মার্কেল। বর্তমানে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় থিতু হয়েছেন।
