নীলফামারী থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ১১০ জন কৃষি শ্রমিক ধান কাটতে গেলেন হাওরাঞ্চলের জেলা কুমিল্লায়। জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাসযোগে তারা সোমবার সন্ধ্যা ও মঙ্গলবার ভোরে যাত্রা শুরু করেন বলে জানায় পুলিশ প্রশাসন।
গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় জলঢাকা উপজেলার ৮৪ জন, ডিমলা উপজেলার ১২ জন এবং মঙ্গলকার ভোরে গেছেন সৈয়দপুর উপজেলার ১৪ শ্রমিক। পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা ও সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলে আরও শ্রমিক পাঠানো হবে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম আতিকুর রহমান।
জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ধান কাটতে আগ্রহী জলঢাকা উপজেলার ৮৪ জন এবং ডিমলা উপজেলার ১২ জনসহ মোট ৯৬ শ্রমিককে সোমবার দুপুরে জলঢাকার টেংগনমারী স্কুল এ্যান্ড কলেজ চত্বরে আনা হয়। সেখানে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এরপর করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ওই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রদানসহ প্রত্যেককে দুটি করে উন্নতমানের মাস্ক দেওয়া হয়েছে।
জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টেঙ্গনমারী বাজার থেকে ৮৪ শ্রমিককে নিয়ে দুটি বাস কুমিল্লার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। জলঢাকা থানা পুলিশের সহযোগিতায় খুটামারা, কচুকাটা, মীরগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে এসব আগ্রহী শ্রমিককে সংগ্রহ করা হয়।’
খুটামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চৌধুরী শামীম বলেন, ‘থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ অঞ্চলের কর্মহীন শ্রমিকদের দক্ষিণাঞ্চলে বোরো ধান কাটার কাজে পাঠানো হচ্ছে। যারা যেতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন তাদেরই পাঠানো হচ্ছে।’
