করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আদালত প্রাঙ্গণ। এ পরিস্থিতিতে অতিজরুরি বিষয়ে শুনানির জন্য এক বা একাধিক বেঞ্চ গঠন করে অনলাইনে অথবা সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের ১৪ জন আইনজীবী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের ই-মেইলে এ চিঠি পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশে সাধারণ ছুটির পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর কোনো বিকল্পও ছিল না। কিন্তু দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কোনো প্রতিকারের পথ এ মুহূর্তে খোলা নেই। বিভিন্ন জরুরি বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ বন্ধ। নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক প্রতিকার পেতে এবং অতিজরুরি বিষয়ে শুনানির জন্য সীমিত পরিসরে এক বা একাধিক বেঞ্চ গঠন এবং জরুরি বিষয়ের শুনানির জন্য অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমের উদ্যোগের অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে বিচারক, আইনজীবী ও আদালতের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তা করা যায় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে স্বাক্ষর করা ১৪ আইনজীবী হলেন প্রশান্ত কুমার কর্মকার, মোহাম্মদ মশিউর রহমান, কাজী হেলাল উদ্দিন, খন্দকার নাজমুল আহসান, তানজিম আল ইসলাম, মো. এনামুল হক, নুরুল আলম, মো. ওবাইদুর রহমান তারেক, মুজিবুল হক ভুঁইয়া, মো. এ এইচ ইমাম হাসান, সাবেরা শিপ্রা, মনজুর এলাহী পরাগ, সৈয়দ আবদুল্লাহ আল মামুন খান এবং মমতাজ পারভীন।
চিঠির ব্যাপারে জানতে চাইলে আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম বলেন, ‘নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনসহ জরুরি বিষয়ে প্রতিকার পেতে একমাত্র ভরসা আদালত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম কোনোমতেই সম্ভব নয়। তবে মৌলিক অধিকার ও জরুরি বিষয়ে হাইকোর্টে এক বা একাধিক বেঞ্চ গঠন কিংবা অনলাইনে সীমিত পরিসরে শুনানির জন্য আমরা আবেদন করেছি।’
