সীমিত পরিসরে বসবে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২০, ০৪:১২ এএম

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চেম্বার আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ অতি জরুরি বিষয় শুনানির জন্য বসবে। এছাড়া অধস্তন আদালতে সপ্তাহে দুই দিন সীমিত পরিসরে জরুরি জামিন বিষয়ে শুনানি

হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আদালতের ছুটি ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে ছুটিকালীন সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে বসবেন। এ ছাড়া ছুটিকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক্ষেত্রের অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। আদালত পরিচালনার কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নিয়ম-কানুনের বিষয়ে বিচারপতিরা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

নোটিসে বলা হয়েছে, চলমান পরিস্থিতিতে দেশের প্রত্যেক জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ ছাড়াও ছুটিকালীন সময়ে তাদের সুবিধামতো প্রতি সপ্তাহে জরুরি জামিন শুনানির জন্য সীমিত আকারে আদালত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এছাড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার নিয়ন্ত্রণাধীন এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা ছুটিকালীন সময়ে সুবিধামতো প্রতি সপ্তাহে দুই দিন জরুরি জামিন শুনানির জন্য সীমিত আকারে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

নোটিসে আরও বলা হয়, একটি মামলার জামিন শুনানিতে কেবল একজন আইনজীবী অংশ নেবেন এবং আদালত প্রাঙ্গণে শারীরিক দূরত্বের নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করা না হলে কার্যক্রম স্থগিত করতে হবে। পাশাপাশি জামিন শুনানিকালে কারাগারে থাকা আসামিদের কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে বা অন্য কোনোভাবে আদালত প্রাঙ্গণে ও এজলাস কক্ষে হাজির করা যাবে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ২৬ মার্চ থেকে সরকারি আদেশের সঙ্গে মিল রেখে দেশের সব আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কেবল অধস্তন আদালতে জরুরি প্রয়োজনে প্রতিটি  মেট্রোপলিটন ও জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খোলা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতারাসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী সম্প্রতি সীমিত পরিসরে আদালতের কার্যক্রম চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে আবেদন করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত