দেহ গঠন এবং বৃদ্ধিতে আয়রন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমনকি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এই পুষ্টি উপাদানটি।
বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মতে, অক্সিজেন পরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদনে, ডিএনএ সমন্বয়ে এবং পেশী গঠনে সহায়তা করে।
দেহে আয়রনের ঘাটতি হলে অ্যামিনিয়া রোগ দেখা দেয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ৩৩ শতাংশ নারী, ৪০ শতাংশ গর্ভবতী নারী এবং ৪২ শতাংশ শিশু এই রোগে ভুগছেন।
আয়রনের ঘাটতি পূরণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়রনসমৃদ্ধ ৫ খাবার খা্ওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
মাংস: বিভিন্ন ধরনের মাংসেই আয়রন পা্ওয়া যায়। এমনকি পোল্ট্রি এবং মাছেও এই পুষ্টি উপাদান মেলে। সামুদ্রিক স্যালমন এবং টুনা মাছ আয়রন সমৃদ্ধ।
ডিম: প্রাকৃতিক প্যাকেটজাত হিসেবেই ডিমে আয়রন, ভিটামিন এবং প্রোটিনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান পা্ওয়া যায়। ১০০ গ্রাম ডিমের মধ্যে ১.২ মিলিগ্রাম আয়রন পা্ওয়া যায়।
শস্যজাতীয় খাবার: নিরামিষীভোজীদের আয়রনের ভালো উৎস শস্যজাতীয় খাবার। সালাদ বা ডাল জাতীয় শস্যে এই পুষ্টি পা্ওয়া যায়।
সবুজ শাক: স্পিনাচ আয়রনের সবচেয়ে ভালো উৎস, প্রতি ১০০ গ্রামে ২.৭ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। এছাড়া্ও অন্যান্য সবুজ শাকে আয়রন পা্ওয়া যায়।
বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার: মজাদার সব খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা ছাড়া্ও এগুলো শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সহায়তা করে। কয়েক রকমের ১০০ গ্রাম বাদামের মধ্যে ২.৬ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে।
