প্রথম অধ্যায় : আকাইদ ও বিশ্বাস
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন-৬১ : হাশর কী?
উত্তর : বিচারের দিন।
প্রশ্ন-৬২ : আমলনামা কী?
উত্তর : আমাদের চলাফেরা, আচার-আচরণ, ভালো-মন্দ, পাপ-পুণ্য সবকিছু লিখে রাখাকে বলে আমলনামা।
প্রশ্ন-৬৩ : কোন ফেরেশতারা আমলনামা লিখেন?
উত্তর : কিরামান কাতিবিন।
প্রশ্ন-৬৪ : মিজান কী?
উত্তর : পাপ-পুণ্যের ওজন করা হবে যা দ্বারা।
প্রশ্ন-৬৫ : মিজান অর্থ কী?
উত্তর : পরিমাপ যন্ত্র।
প্রশ্ন-৬৬ : চির সুখের স্থান কোনটি?
উত্তর : জান্নাত।
প্রশ্ন-৬৭ : চির কষ্টের স্থান কোনটি?
উত্তর : জাহান্নাম।
প্রশ্ন-৬৮ : একজন মুসলিমের হৃদয়ে কী থাকবে?
উত্তর : আল্লাহতায়ালার ভয়।
প্রশ্ন-৬৯ : ইন্নাকা আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর অর্থ কী?
উত্তর : নিশ্চয় তুমি সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
প্রশ্ন-৭০ : আমরা অন্যায় কাজ করি কেন?
উত্তর: শয়তানের প্ররোচনায় আমরা অন্যায় কাজ করে থাকি।
প্রশ্ন-৭১ : আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা কে?
উত্তর : মহান আল্লাহ।
প্রশ্ন-৭২ : আমাদের পাপ-পুণ্য কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
উত্তর : আমাদের পাপ-পুণ্য আমলনামায় সংরক্ষিত থাকে।
প্রশ্ন-৭৩ : ‘সবকিছুর মালিক আল্লাহ’ এ ধারণায় যে বাঁচে, তাকে তুমি কী বলবে?
উত্তর : ইমানদার ব্যক্তি বলব।
প্রশ্ন-৭৪ : আল্লাহর ‘বাসিরুন’ গুণে গুণান্বিত হতে তুমি করো এমন একটি কাজ লেখো।
উত্তর : আমি কর্তব্য কাজে অবহেলা করি না।
প্রশ্ন-৭৫ : নবি-রাসুলগণের নিকট ওহি নিয়ে আসতেন কে?
উত্তর : হজরত জিবরাইল (আ.)।
প্রশ্ন-৭৬ : ইমান কী? একজন ইমানদার ব্যক্তি হতে হলে তোমাকে কী করতে হবে?
উত্তর : মহানবী (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে যা কিছু নিয়ে এসেছেন সে বিষয়গুলোকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা এবং তা অনুযায়ী আমল করাকে ইমান বলে। একজন ইমানদার ব্যক্তি হতে হলে আমাকে আল্লাহর বিধিবিধান মেনে চলতে হবে।
