বুড়িমারী স্থলবন্দর

৬ দিনেও শুরু হয়নি আমদানি-রপ্তানি

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২০, ১২:৪৬ এএম

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে বন্ধ থাকা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে স্থলবন্দর খোলার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো পণ্য আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে প্রতিদিন প্রায় ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। কাস্টমস হাউজ ও বুড়িমারী বন্দর কর্তৃপক্ষ অফিস খুলে অলস সময় কাটাচ্ছে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গত ২২ এপ্রিল থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দর খোলা রাখার নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করার অনুমতি দেয়। সরকারের এই নির্দেশনা মেনে গত ৬ দিন থেকে কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ইমিগ্রেশন পুলিশ বুড়িমারীতে অফিস করছে। কিন্তু ভারতে করোনা সংক্রামণ রোধে লকডাউন থাকায় ভারতের চ্যাংরাবান্ধা বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্য আমদানি-রপ্তানি আগামী ৩ মে পর্যন্ত স্থগিত করে রেখেছে। ফলে দুই দেশের কোনো বন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়নি। এছাড়া ভারতীয় চ্যাংরাবান্ধা বন্দর থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাটবীজ নিয়ে আসা ৬১টি ভারতীয় ট্রাক ও চালককে ফেরত নেয়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

বুড়িমারী কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সোমেন চাকমা জানান, সরকারের দিকনির্দেশনা পেয়ে বন্দরের কার্যক্রম চালু করতে অফিস খোলা রেখেছি। কিন্তু ভারতে লকডাউন থাকায় এই বন্দর দিয়ে কোনো পণ্য এখনো পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়নি। এমনকি নেপাল ও ভুটান থেকেও কোনো পণ্য আসেনি ও যায়নি। কারণ নেপাল ও ভুটান ভারতের সড়ক ব্যবহার করে। ভারত সরকার লকডাউনের মধ্যে নেপাল ও ভুটান সরকারকেও সড়কপথ ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত