স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা শ্রমিকদের দিয়েই পোশাক কারখানা চালাতে হবে। এর বাইরে থেকে কোনো শ্রমিক আসবে না। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে জানানো হয়েছে, ৯৭ ভাগ কারখানায় মার্চের বেতন দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরও নির্ধারিত সময়ে বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বৈঠকে। এ ছাড়া শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ আমাদের জানিয়েছে, কোনো শ্রমিককে ইনভাইট (ঢাকায় আসতে বলেননি) করেননি এবং তারা ভবিষ্যতেও করবেন না, যে পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটবে। তাছাড়া তারা স্পষ্ট করে আমাদের জানিয়েছেন তাদের বেতনের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করেছেন। কাজেই শ্রমিকদের অনাহূত হয়ে ঢাকায় আসার কোনো কারণ নেই।’
বৈঠকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কোনো শ্রমিক আনছি না। আনতে চাচ্ছি না। তারপরও বাস্তবতা হলো অনেকে চলে আসছেন। তাদের আমরা ডিসকারেজ করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, ঈদে আমরা চাচ্ছি তারা আবার গ্রামে ফিরে না যাক। ছুটিটা কীভাবে দেব, আমরা আরেকবার বসব ঈদের আগে। ওসব ব্যাপার একটু শর্টআউট করার জন্য।
