করোনা পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধের সময়সীমা ৭ মে থেকে বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে চীনের সঙ্গে সব ধরনের ফ্লাইট চালু থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ নিষেধাজ্ঞার ফলে এয়ারলাইন্সগুলোকে আগামী ৮ মে থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনায় নিতে প্রস্তুতিও স্থগিত হয়ে গেল। তবে বেবিচকের কর্মকর্তারা ১৬ মের পর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গতকাল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দেশের বিমানবন্দরগুলো দিয়ে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৭ মে থেকে বৃদ্ধি করে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে চীনের ফ্লাইট, বিশেষ ফ্লাইট (চার্টার্ড), কার্গো ফ্লাইট, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ও ত্রাণ সহায়তার জন্য আগত ফ্লাইটগুলো এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ইতিমধ্যে সাধারণ ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে। আমরাও তা অনুসরণ করে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছি।’
এদিকে বেবিচকের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানান, আগামী ৮ মে থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় সবকিছু চূড়ান্ত করেছিলেন তারা। কিন্তু সরকারের হাইকমান্ড জানিয়েছে, সাধারণ ছুটির সময়ে ফ্লাইট চলাচল করলে সমালোচনা হতে পারে। এজন্য ছুটির পরে বিষয়টি ভেবে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২১ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, চীন, হংকং, থাইল্যান্ড ছাড়া সব দেশের সঙ্গে যাত্রীবাহী সব ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল বেবিচক। এরপর আরেক আদেশে এই সময়সীমা ৭ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। এভাবে গতকাল পর্যন্ত পঞ্চম দফা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল বেবিচক। তবে এবারের পর নিষেধাজ্ঞা আর নাও থাকতে পারে। ইতিমধ্যে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ১৬ মে থেকে সীমিত আকারে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখারও নির্দেশনা সরকারি তরফে দেওয়া হয়েছে।
যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও বিশেষ ফ্লাইটে করে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশিরা দেশে ফিরছেন। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে বহু বিদেশি ঢাকা ছাড়ছেন।
