আড়ংয়ে কেনাকাটা লাগবে অনলাইন নিবন্ধন

আপডেট : ১০ মে ২০২০, ০৫:২৭ এএম

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ে কেনাকাটায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। চাইলেও যে কেউ ফ্যাশন হাউজটিতে কেনাকাটার জন্য ঢুকতে পারবেন না। এ জন্য আগে থেকেই অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। আড়ংয়ের যেকোনো আউটলেটে পণ্য কেনাকাটা করতে হলে চার স্তরের স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে এমন ব্যবস্থা রেখে আজ থেকে আউটলেট খুলতে যাচ্ছে আড়ং।   

আড়ং তাদের ২১টি আউটলেটের মধ্যে ১৪টি খুলছে। অনলাইনে নিবন্ধন করা ক্রেতারা এক ঘণ্টার জন্য আউটলেটে গিয়ে কেনার সুযোগ পাবেন বলে জানান ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের কঠিন এই পরিস্থিতিতে যে কেউ যখন-তখন ইচ্ছে করলেই এই আউটলেটগুলোতে কেনাকাটার জন্য ঢুকতে পারবেন না। চার স্তরের নিরাপত্তা চেক হওয়ার পরেই আউটলেটে ঢুকতে পারবেন।

গতকাল সকালে আড়ংয়ের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রতিষ্ঠানের এমডি তামারা হাসান। এ সময় আরও অংশ নেন আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আশরাফুল আলম। সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের কমিউনিকেশনস অ্যান্ড আউটরিচ প্রোগ্রামের পরিচালক মৌটুসী কবীর।

অনুষ্ঠানে অনলাইন নিবন্ধনের কৌশল তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, আড়ংয়ের আউটলেটগুলো থেকে কেনাকাটা করতে হলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট অথবা ফেইসবুক পেজে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন শেষ হলে একটি প্রবেশপত্র পাওয়া যাবে। সেটি দেখিয়ে আউটলেটে ঢুকতে হবে।

তামারা আবেদ বলেন, আউটলেটে প্রবেশের সময় প্রত্যেকের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হবে। কারও শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে তাকে ওই আউটলেটে কোনোভাবেই ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক গ্রাহকের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হবে। গ্রাহকরা যখন ভেতরে প্রবেশ করবেন তখন পরস্পর থেকে কমপক্ষে তিন ফুট দূরত্বে থাকা বাধ্যতামূলক করে গোল চিহ্ন করে দেওয়া হবে। আড়ংয়ের প্রত্যেক কর্মচারীকেও সর্বোচ্চ সতর্কতার মাধ্যমে নিরাপত্তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ঢাকার বাসাবো এবং ঢাকার বাইরে সিলেট, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের আউটলেট বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্ক বন্ধ থাকায় ওই দুই মার্কেটের আউটলেট বন্ধ থাকবে। এর বাইরেও যেসব মর্কেটের মধ্যে আউটলেট রয়েছে ওই মার্কেট বন্ধ থাকলে আউটলেট বন্ধ রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, আড়ংয়ের সঙ্গে জড়িত ৬৫ হাজার কারুশিল্পী। তাদের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের তৈরি বৈশাখের পণ্য ও ঈদের অনেক পণ্য কিনে নিয়েছেন। এরপরও যেসব পণ্য তৈরির অর্ডার করেছেন তা-ও কিনে নেবেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত