এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার এভিপি পদে কর্মরত জামশেদ হায়দার চৌধুরী করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন দাবি করে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
স্বজনরা জানিয়েছেন, গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার বাসা নগরীর মেহেদীবাগের অ্যামবেসি ভবনে। তিনি এনসিসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াজিউল্লাহ ভূঁইয়ার জামাতা।
জামশেদ হায়দারের ছোট ভাই জিয়া হায়দার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চার দিন দরে জ্বরে ভুগছিলেন আমার ভাই। এরপর তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে সোমবার সকালে ব্যক্তিগত গাড়িতে করেই বিআইটিআইডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় করোনার চিকিৎসা ও নমুনা সংগ্রহণের জন্য। কিন্তু সেখান থেকে বলা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যেতে। মেডিকেলে যাওয়ার পথেই গাড়িতে আমার ভাই মারা যান।’ তিনি আরও বলেন, ‘চমেক হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে হৃদরোগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা বিআইটিআইডির চিকিৎসককে বলেছিলাম পরীক্ষা জন্য অন্তত নমুনা হলেও নেওয়া হোক। কিন্তু তারা কোনো চিকিৎসা না দিয়ে চমেকে নিয়ে যেতে বলে।’ এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘এক ব্যাংকারের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। জেনেছি হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়েছে। সে কারণে করোনা পরীক্ষার দরকার নেই।’
