বিএসএমএমইউতে কিট জমা দিল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

আপডেট : ১৪ মে ২০২০, ০৪:২৫ এএম

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে উদ্ভাবিত ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নমুনা জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিএসএমএমইউতে কিটের নমুনা পৌঁছে দেন কেন্দ্রের চিকিৎসক ডা. বিজন কুমার শীল ও ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।

পরে ডা. মুহিব উল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিএসএমএমইউ কমিটি আমাদের কাছে কিটের নমুনা চেয়েছিল গত মঙ্গলবার। আমরা আজ বুধবার প্রথম দফায় কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য ২০০ কিট দিয়েছি। আমরা কমিটিকে বলেছি উনাদের যদি কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হয় আমরা উনাদের সাহায্য করব।’

এ বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কার্যকারিতা পরীক্ষায় কোনোক্রমেই সাত দিনের বেশি সময় লাগা উচিত নয়। আশা করি এ সময়ের মধ্যে আমরা একটি পজিটিভ ফলাফল পাব এবং দেশবাসীর জন্য এ কিট পর্যাপ্ত করে দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর অনুমোদন দিতে দুই দিনের বেশি সময় লাগার কথা নয়। অনুমোদন পেলে সরকার যদি কিট নিতে চায় আমরা দেব এবং তাদের জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে দেব।’

গত ৩০ এপ্রিল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউকে চিঠি দেয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। পরে ২ মে বিএসএমএমইউ কর্র্তৃপক্ষ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষায় ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করে। এরপর বিএসএমএমইউর বিরুদ্ধে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ এনে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের উদ্ভাবিত কিট ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছে সাময়িক সনদ চেয়ে আবেদন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

ডা. জাফরুল্লাহ জানান, করোনা নির্ণায়ক অ্যান্টিবডি-অ্যান্টিজেন দুটি ভিন্ন হলেও দুটিতেই সফলতা পেয়েছেন তারা। তবে বিএসএমএমইউ কমিটি অ্যান্টিবডি টেস্টের কিট চাইলে তারা সেটি কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য জমা দেয়। পরে অ্যান্টিজেন চাইলে সেটিও দেওয়ার জন্য প্রস্তুত তারা। তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি জাতীয় সমস্যা। আমাদের যত সক্ষমতা আছে সবকিছু নিয়েই একে মোকাবিলা করতে হবে। এই গুরুত্বটি সবাইকে বুঝতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত