গত বছর মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাফাহ্ নানজীবা তোরসা। তার সঙ্গে কথা বলেছেন অর্ক রায় সেতু
সফলতার চাবিকাঠি...
সফলতার চাবিকাঠি হলো আয়নায় নিজেকে দেখে বিশ্বাস করা যে, আমার কমপিটিটর আমি নিজেই। অধ্যবসায়, ইতিবাচক মনোভাব, নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলে সব সম্ভব। এই রাস্তায় আসাটা আমার চয়েস ছিল, সফলতা একবারে না এলেও উঠে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করেছি।
বাহ্যিক সৌন্দর্য নাকি সুন্দর মন...
না, সুন্দর মন হলো আভিজাত্যের প্রতীক। দৈহিক ও মানসিক সুস্থতা জরুরি। বাহ্যিক সৌন্দর্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিলুপ্ত হলেও সুন্দর মন কিন্তু ক্রমাগত সুন্দর হয়।
মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা...
মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ১২০টি দেশের প্রতিনিধি, বিশ্বের পরিচিত মানুষদের কাছে নিজের দেশের সংস্কৃতি ও পারফরম্যান্স দেখানোর সুযোগ পেয়েছি। দেশের মানুষের ভালোবাসা এখনো পেয়ে যাচ্ছি। সবমিলে সব সময় চেরিশ করার মতো অভিজ্ঞতা।
খেয়াল করে চলি...
যে বিষয়টি আমার সঙ্গে কেউ করলে আমি পছন্দ করব না, ওই বিষয়টি কারও সঙ্গে যাতে আমিও না করি, সেটি লক্ষ রেখে চলি। হাসিখুশি থাকা, ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে চলা এ বিষয়গুলো খেয়াল করে চলি।
শিল্প-সাহিত্যচর্চা...
মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশে শিল্প-সাহিত্যের বিকল্প কিছুই নেই। শিল্প-সাহিত্যচর্চা আমার ফ্যাশনের জায়গা। তিন বছর বয়স থেকে এই অঙ্গনের সঙ্গে জড়িয়েছি। নাচ দিয়ে যাত্রা শুরু করে শিল্পের বেশ কিছু অঙ্গনে পদার্পণ করে নিজেকে বারবার ভেঙে গড়ছি। বলা বাহুল্য, আমার জন্য এটা অনেক বেশি জরুরিও।
নাটকের আকর্ষণীয় দিক...
থট প্রভোকিং নাটক আমাকে খুব প্রভাবিত করে। ভালো গল্পের সঙ্গে অভিনয়শিল্পীর নতুন নতুন ক্যারেকটারে নিজেকে ভেঙে গড়া আমাকে খুব প্রভাবিত করে। একজন থিয়েটারকর্মী হিসেবে বলতে পারি, একজন অভিনয়শিল্পীকে শিল্পের সব বিষয়ে পারদর্শী হতে হয়। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের সত্তা থেকে বেরিয়ে আরেকজনের চরিত্রে প্রবেশ করতে পারা। একজন ভালো অভিনয়শিল্পীকে যদি গল্পে এক মিনিটের চরিত্রও দেওয়া হয়, সে নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে পারবে। গল্প আর শিল্পীর অভিনয় দুই মিলেই শিল্পীর ফুটে ওঠা। আমার ইচ্ছা অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মনে সাড়া জাগানো।
