শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

আপডেট : ১৭ মে ২০২০, ০৭:১২ এএম

আজ ১৭ মে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৮১ সালের এই দিনে প্রায় ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে আসেন তিনি। দেশে ফেরার আগে সর্বসম্মতভাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনাকে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন দক্ষতার সঙ্গে। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার সময় বিদেশে অবস্থানের কারণে তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান। বিষাদময় এ ঘটনার সময় স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কর্মসূত্রে স্বামী ও বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপরই তিনি ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের হৃদয়ছোঁয়া ভালোবাসার জবাবে এদিন তিনি বলেন, ‘বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেওয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী প্রতি বছর বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করলেও এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্মসূচি পালিত হচ্ছে না।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নবতর যাত্রা সূচিত হয়েছিল। সেই পথ ধরে আজকে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক সময়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোকে এমনভাবে তৈরি করেছেন যে আমরা জনগণের পাশে আছি সেটা করোনার বিরুদ্ধে, বন্যা বা খরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হোক বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ হোক, তা আমরা বারবার দাঁড়িয়েছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত