রাজধানীতে আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করছে ডিএমপি

আপডেট : ১৮ মে ২০২০, ০৬:৪৯ এএম

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রাজধানীতে আসা ও যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এজন্য গতকাল রবিবার থেকে নিরাপত্তাচৌকি (চেকপোস্ট) ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কগুলোতেও টহল ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঢাকা শহরে প্রবেশ ও বাহিরে যেতে পারবে না। ঈদে গ্রামমুখী মানুষের স্রোত থামানো ও করোনার বিস্তার রোধে ডিএমপি এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ও পণ্য সরবরাহ কাজে নিয়োজিত যানবাহনগুলো এই নিয়ন্ত্রণের আওতামুক্ত থাকবে। যথোপযুক্ত কারণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি যানবাহন নিয়ে শহরের বাইরে যেতে চাইলে বা প্রবেশ করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ন্ত্রিত চলাচলের ক্ষেত্রে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছে ডিএমপি।

গত ২৬ মার্চ থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের গণপরিবহন বন্ধ করা হয়, যার মেয়াদ কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত করেছে সরকার। আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কয়েক দিন আগে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ঈদের আগে চার দিন ও ঈদের পর দুই দিনসহ মোট সাত দিন জরুরি সেবা ছাড়া কোনো যানবাহন রাস্তায় চলবে না। যে যেখানে আছেন, সেখান থেকেই ঈদ করতে হবে।

গত ১৪ মে সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জরুরি পরিষেবা যেমনবিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর), পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা ও সংশ্লিষ্ট কাজ, খাদ্যদ্রব্য, কাঁচাবাজার, সড়ক ও নৌপথে সব পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের পণ্য, ওষুধ, ওষুধশিল্প, চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসাবিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, শিশুখাদ্য, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া (সংবাদপত্র), ত্রাণ, কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, পশুখাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদিত পণ্য, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য এবং জীবনধারণের মৌলিক পণ্য উৎপাদন পরিবহন নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।’ পণ্যবাহী যানে যাত্রী বহন করা যাবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত