ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ টেকসই করতে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগ এখন নিয়মিত হচ্ছে। তাই টেকসই সমাধানকল্পে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। গতকাল বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার সদর উপজেলার হাড়াদ্দাহ, শ্যামনগরের তাতিনাখালী, কামালখাটি; আশাশুনি উপজেলার হাজরাখালী, দয়ালঘাট, পদ্মপুকুর ও খুলনার কয়রা উপজেলার মদিনাবাদ এলাকা স্পিডবোটযোগে পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিভাবে সফল। তাই জনবান্ধব প্রকল্প হাতে নিতে পারছি যাতে আগামীতে এমন জনদুর্ভোগ না হয়।’ বাঁধ শক্তিশালীকরণ ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বেশি করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন আম্পান আঘাত হানার সঙ্গে সঙ্গে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে এবং পানিসম্পদ সচিব সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আজ আমি নিজে এসেছি সরাসরি পরিদর্শনে কোথায় কী প্রতিবন্ধকতা তা নিরূপণ করতে।
এ সময় সাতক্ষীরার-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বাপাউবো) হাবীবুর রহমান, উপসচিব নুর আলম, জেলা প্রশাসক (সাতক্ষীরা) এসএম মোস্তফা কামাল, প্রধান প্রকৌশলী (খুলনা) রফিক উল্লাহ, নির্বাহী প্রকৌশলী (সাতক্ষীরা) আবুল খায়ের, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জার গিফারী, আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত বুধবার প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া, ভোলামারা, দক্ষিণ বড়মাছুয়া এবং খেজুরবাড়িয়া পরিদর্শন করেন। খুলনার কয়রা, দাকোপ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় আনুমানিক ১৭০ জায়গায় প্রায় ৯৯টি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু উপকূল অঞ্চলের সমস্যা নিরসনের জন্য ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে।
