করোনাভাইরাসজনিত রোগ কভিড-১৯ এ আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এখন ভালো আছেন। তিনি বর্তমানে ধানমন্ডির নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তরকে
এ তথ্য জানান হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।
ঈদের আগের দিন ডা. জাফরুল্লাহ জ্বর জ্বর অনুভব করলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালেই তার পরীক্ষা করা হয়। এতে তার করোনা পজিটিভ আসে। এরপর তিনি ধানম-ির বাসায় আইসোলেশনে চলে যান। গত বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) টেস্টেও তার করোনা পজিটিভ আসে।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছিলেন, তিনি আক্রান্ত হওয়ার খবরে গণভবন থেকে তাকে ফোন করা হয়েছিল। এই সময় তার সুস্থতা কামনা করা হয়। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফোন করে সুস্থতা কামনা করেন।
এর আগে গত ২৬ মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়। সেখানে সন্ধ্যায় তার ডায়ালাইসিসের পর ‘ও পজিটিভ’ ব্লাড গ্রুপের ২০০ মিলি প্লাজমা দেওয়া হয়। ওইদিন নিশ্চিত করেন হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের রেজিস্ট্রার ডা. সাইমুম আরাফাত পান্থ।
বিএসএমএমইউ টেস্টেও করোনা পজিটিভ : গতকাল বৃহস্পতিবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নিজেদের উদ্ভাবিত কিটে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর এবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। গত ২৪ মে গণস্বাস্থ্য বৈজ্ঞানিকদের কিট দিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সে অনুযায়ী তিনি বাসায় আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন। গত ২৬ মে বিএসএমএমইউতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্যাম্পল পাঠানোর পর গতকাল সেখান থেকে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার রিপোর্ট আসে। এতে প্রমাণিত গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিট করোনা শনাক্তকরণে শতভাগ কার্যকর।’
