বাড়িতে প্রশ্ন পাঠিয়ে অভিভাবকদের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল শুক্রবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন দেশ রূপান্তরকে এমন ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটাকে ঠিক পরীক্ষা বলা যাবে না। এটাকে আমরা নাম দিয়েছি মূল্যায়ন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিষয়টি জানিয়েছি। এই মূল্যায়নটি কীভাবে করা যায় তার একটি গাইড লাইন তৈরি করবেন। আমাদের চিন্তা হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি প্রশ্ন পাঠাবেন শিক্ষকরা। সেই প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেবেন অভিভাবকরা। সেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবেন শিক্ষক।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্কুল বন্ধের পর থেকে সংসদ টেলিভিশনে নিয়মিতভাবে ক্লাস দেখানো হচ্ছে। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে হোম ওয়ার্ক দিচ্ছেন।’ এগুলোকে মূল্যায়নের ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক প্রশ্ন করে শিক্ষার্থীদের মায়েদের কাছে তা পাঠিয়ে দেবেন, ওই প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবে। মায়েরা ওই উত্তরপত্র শিক্ষকের কাছে পাঠাবেন। কেউ যদি শিক্ষকের কাছে উত্তরপত্র পৌঁছাতে না পারেন, কিছু স্বেচ্ছাসেবক রাখা হবে, যারা উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ১৫-২৩ এপ্রিলের মধ্যে প্রথম সাময়িক, ৯-২০ আগস্টের মধ্যে দ্বিতীয় সাময়িক এবং ২-১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ার কথা। আর ১৯-৩০ নভেম্বরের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনীর রুটিন করা রয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এমন পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছে মন্ত্রণালয়।
