ফোর্বসের তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার হিসেবে ঠাঁই পাওয়া কাইলি জেনার ছিটকে পড়লেন।
ম্যাগাজিনটি অভিযোগ তুলেছে, এই রিয়্যালিটি টিভি তারকা ও উদ্যোক্তার পরিবার তার প্রসাধনী ব্যবসার মূল্য ‘অস্বভাবিক বেশি’ দেখিয়েছে।
তবে টুইট বার্তায় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কিম কার্দাশিয়ানের সৎবোন। তার মতে, ফোর্বসের বিবৃতি যথাযথ নয় ও অপ্রমাণিত অনুমানের ওপর ভিত্তি করে লেখা। তিনি কখনো মিথ্যা বলার চেষ্টা করেননি বা এই ধরনের তালিকায় নামও চাননি।
২০১৯ সালে জেনারের নাম উঠে ফোর্বসের বিলিয়নিয়ারের তালিকায়। সেখানে তাকে ‘স্ব-প্রতিষ্ঠ’ বলে উল্লেখ করলে বির্তক তৈরি হয়। কারণ, পারিবারিক পরিচয়ের কারণে শোবিজ ও ব্যবসায় দ্রুত নজর কাড়েন তিনি।
কাইলি জেনারের সাফল্যের পেছনে প্রসাধনী কোম্পানিকে উল্লেখ করে ম্যাগাজিনটি। যা তিনি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত করেন। এর আওতায় রয়েছে কাইলি কসমেটিকস ও কাইলি স্কিন। গত বছর এই তারকা জানান, কোম্পানির ৫১ ভাগ স্টেক ৬০ কোটি ডলারে বিউটি জায়ান্ট কটির কাছে বিক্রি করছেন।
ফোর্বস জানায়, আয়কর দাখিলে কাগজপত্রে কাইলির পারিবারিক হিসাবরক্ষক ৩০ কোটি ডলারের বেশি বিক্রির উল্লেখ করেন ২০১৬ সালে। পরের বছর প্রচারকরা দাবি করেন ৩৩ কোটি ডলার। আর কটি জানায়, সংস্থাটি ২০১৮ সালে মাত্র সাড়ে ১২ কোটি ডলারের ব্যবসা করেছে।
এই সব বিবৃতি মিলিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি পেয়েছে ফোর্বস। হিসাব-নিকাশ কষে ম্যাগাজিনটি ঘোষণা দিয়েছে বর্তমানে কাইলি জেনারের সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ কোটি ডলারের নিচে।
অবশ্য ধন-সম্পত্তি বেশি দেখানোর ঘটনা এবারই প্রথম নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সচিব উইলবার রস ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অনেক ধনকুবেরের বিরুদ্ধে অতীতে একই অভিযোগ আনে ফোর্বসের প্রতিবেদকরা।
