দেশে বিদ্যমান কভিট-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের ফলে বিদ্যমান সংকটকালীন সময়ে ঢাকাসহ দেশের দূরপাল্লার রুটে গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সুপারিশকে অগ্রহণযোগ্য ও সুবিবেচনাপ্রসূত হয়নি বলে জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। ক্যাব মনে করে, বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে এর প্রভাব অন্যান্য খাতেও পড়বে, মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেবে, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। গতকাল শনিবার ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানায় ক্যাব।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার ‘বাস ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটি’র এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় করোনার মহামারীর আপৎকালীন সময়ে বাস ভাড়া ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এমনিতেই যখন দুই মাসের বেশি সময়ের জন্য লকডাউনের কারণে দেশের অধিকাংশ জনগণের আয়ের সংস্থান নেই তখন বাস ভাড়া ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি করে গণপরিবহনের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য বাড়তি ভাড়া যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যেহেতু প্রতিটি বাসে ৫০ শতাংশ সিট খালি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাই বাস মালিকদের যেন আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি না হতে হয় সেজন্য সরকার অন্যান্য শিল্প-বাণিজ্যের ন্যায় গণপরিবহনের জন্যও আর্থিক প্রণোদনা বা ভর্তুকি এবং স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
