চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নবপ্রতিষ্ঠিত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদে প্রতিষ্ঠিত ল্যাবটিতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০০ নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হবে। গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ল্যাব উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাংসদ বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আলহাজ আ জ ম নাছির উদ্দীন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ^বিদ্যালয়) মো. আবদুল্লাহ আল হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ এবং চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মোস্তফা খালেদ আহমেদ।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দরকার বেশি বেশি নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে রোগী শনাক্তকরণ, রোগীর সংস্পর্শ নিরূপণ এবং শনাক্তকৃত রোগীকে যথাযথভাবে সেবা প্রদান। আর যেকোনো দুর্যোগময় মুহূর্তে সবাই সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে যত কঠিন বাধাই আসুক না কেন তা মোকাবিলা করা সম্ভব। তাই এ ল্যাব বিশ^বিদ্যালয় পরিবার তথা চট্টগ্রামবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষায় চবি পরিবার স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসায় বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-গবেষকসহ সবাইকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার বলেন, এ ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে এতদ অঞ্চলের জনসাধারণসহ চট্টগ্রামবাসী বিশেষ উপকৃত হবেন। এ নমুনা পরীক্ষায় শিক্ষক-গবেষকরা তাদের বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে নিয়মিত নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীদের সঠিক চিকিৎসাপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। এ সময় তিনি এ কাজে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-গবেষক এবং সহকারীরা তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে অধিকতর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পরামর্শ দেন। পরে উপাচার্য ফিতা কেটে ল্যাবে প্রবেশ করেন এবং ল্যাবের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রেরণ করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ। এ সময় চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, অনুষদের ডিনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ-গবেষকবৃন্দ, ল্যাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যথাযথ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে উপস্থিত ছিলেন।
