করোনাভাইরাস এবং আরেকটি ‘অর্থনৈতিক’ মুক্তিযুদ্ধ

আপডেট : ০৫ জুন ২০২০, ১২:০০ পিএম

আমাদের প্রিয় পৃথিবী আজ এক কঠিন ভাইরাসে বিপর্যস্ত, অসহায়, স্তব্ধ ও নির্বাক। নিষ্ঠুর নিয়তির মতো মৃত্যু ঘুরে বেড়াচ্ছে সর্বত্র। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন। জীবন ও জীবিকার সম্পর্ক অচ্ছেদ্য, একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি চিন্তা করা যায় না। তাদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে সময়োপযোগী, সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক কাঙ্ক্ষিত কৌশল গ্রহণ করতে পারাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। একটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে আমাদের রেমিট্যান্স, রপ্তানি, আমদানি, বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ, পর্যটনশিল্প ইত্যাদির ওপর করোনাভাইরাসের বিরূপ প্রভাব এখনই দৃশ্যমান। এসব মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, আরও পদক্ষেপ ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়ছে।

করোনা যেমন সবাইকে আঘাত করেছে— তেমনি নারী-পুরুষ, ধনী-গরিব নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে বর্তমান ও করোনা পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। বৈশ্বিক যে কোনো মহামারীকে পরাভূত করতে হলে প্রয়োজন দেশপ্রেমিক দক্ষ্য নেতৃত্ব, বুদ্ধিবৃত্তিক শাসনতন্ত্র ও সঠিক কর্মকৌশল প্রণয়ন। করোনা সংক্রমণরোধ ও মহামারীর পরে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ঠেকাতে আমাদেরকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ্যমেয়াদি কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামাঞ্চলে ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের  কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে রেশন কার্ড ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সর্বোপরি হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা সম্প্রসারণ করতে হবে।

আমাদের যেহেতু নির্দিষ্ট কোন ডেটাবেজ নাই— এখানে কতজন অর্থনৈতিকভাবে সামর্থবান আর কতজন মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত অথবা দিন আনে দিন খায় সঠিক তথ্য নেই। তবে বাস্তবতা হলো নিম্নমধ্যবিত্ত ও দিন এনে দিন খাওয়া লোকের সংখ্যাই বেশি। নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য আমরা কোন কার্যকর সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারিনি।

যে সব মধ্যবিত্তরা এই দুর্যোগে ত্রাণ চাইতে পারছে না, তাদের অবস্থাই সবচেয়ে নাজুক। একটি আদর্শ সমাজের মেরুদণ্ড হচ্ছে মধ্যবিত্তরা। নিজ উদ্যোগে তাদের খোঁজ রাখা উচিত আমাদের। সরকার মধ্যবিত্তদের জন্য অনলাইনে সাহায্য চাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। তদুপরি তাদের জন্য রেশন কার্ডের ব্যবস্থা বেশি প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন ব্যবসা করেও আমাদের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস পোশাকখাত এখনো কোনো টেকসই অবস্থায় দাঁড়াতে পারেনি। করোনা পরিস্থিতিতে তারাই সবার আগে সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। এটা সুখকর কোনো বিষয় নয়। বছরের পর বছর ধরে ব্যবসা করেও তাদের কোনো ক্রাইসিস ফান্ড নেই। তারা যদি এই সময়ে শ্রমিকদের যথাযথ দায়িত্ব নিতে পারতেন তাহলে হয়তো এই সময়ে সরকারের কাছে হাত পাততে হতো না। আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশে সরকার একসঙ্গে কতটুকু দেখতে পারবে, এই বাস্তবতা আমাদের বুঝতে হবে।

করোনা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দেউলিয়াত্ব, দূর্নীতি, অনিয়ম, অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ত্রূটি-বিচ্যুতি চোখে আঙুল দিয়ে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে নতুন রোগ শনাক্তকরণের দূর্বলতা/ব্যর্থতা, চিকিৎসক এবং স্বাস্থকর্মীদের স্বল্পতা, জরুরি প্রয়োজনীয় ঔষধের অপ্রতুলতা, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির অভাব এবং সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট মহলের মানবিক মূল্যবোধের সীমাবদ্ধতা বা অসচেতনতা উঠে এসেছে। তবে ইতিবাচক দিক হলো করোনা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা, সবার জন্য সহজলভ্য করার সুযোগ এনে দিয়েছে। তাই নতুন করে ঢেলে সাজিয়ে সর্বজনীন ও সহজলভ্য করতে হবে এবং সরকারি-বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজের (ইউএইচসি) অন্যতম প্রবক্তা। ইউএইচসি বাস্তবায়নের মূল বিষয় হলো সরকারই হবে স্বাস্থসেবার জন্য সব বা বেশিরভাগ খরচের যোগানদাতা। জাতিসংঘে ২০১২ সালে এই সংক্রান্ত প্রস্তাবে সাক্ষরদাতা দেশ বাংলাদেশ। থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, ভিয়েতনামসহ এশিয়ার অনেক দেশই ইউএইচসি বাস্তবায়ন করেছে। আমাদেরও ইউএইচসি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া অতি দ্রুত শুরু করা উচিৎ। 

করোনা সংকটে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েই বিপদগ্রস্ত। দেশের তিন ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা সরকার দেয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ অংশ সরকারই দেয়, তবে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী আবার সরকারি সুবিধা পায় না। কিন্তু বেশি সমস্যায় আছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন না নিলে তারা শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারে না। আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায় করার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকারকেই একটি বিকল্প উপায় বের করতে হবে। সরকার গার্মেন্টসসহ শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্নভাবে প্রণোদনাসহ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করছেন। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরকারই পারে সময়োপযোগী ও তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে- যা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। কেননা ভঙুর স্বাস্থ্য খাতের মতো শিক্ষা খাতও যদি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে আগামী প্রজন্মকে সুশিক্ষা প্রদান দুরাশাই থেকে যাবে।  

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বড় বড় এবং কম প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো থেকে টাকা সরিয়ে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যয় করবে এবং ব্যবসায়ীদের দেবে, যারা পুঁজি হারিয়েছেন তারা আবার ব্যবসা-বাণিজ্য করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। সরকার সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত না থেকে আগে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বিনিয়োগ করতে হবে। কৃষি তথা খাদ্য উৎপাদনে এবং মজুদে (খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য) জোর দিতে হবে। মধ্যস্বত্তভোগী বাদ দিয়ে প্রকৃত পণ্য মূল্য সরাসরি কৃষকদের দিতে হবে। এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাপক জোর দিতে হবে। ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা জেলা পর্যায়ে না রেখে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে। স্বাধীনতার এত বছর পর এসেও আমরা কৃষি ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ করতে পারিনি। ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় শ্রমিক না থাকায় ধান কাটা যাচ্ছিল না। তাই এ খাতকে আধুনিক করতে কৃষকদের হাতে যন্ত্রপাতি সরবরাহে প্রণোদনা সর্বাগ্রে এবং সর্বাধিকারভিত্তিতে দেওয়া উচিত।

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রবাসী শ্রমিকরা। তারা আমাদের জাতীয় আয়ের অন্যতম উৎস। বছরের পর বছর ধরে কষ্টার্জিত আয় পাঠিয়ে অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। এই করোনাকালে যারা দেশে এসেছেন আমাদের উচিত তাদের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করা। সরকারকে ধন্যবাদ দেই এ জন্য যে, ইতোমধ্যে সরকার তাদের জন্য বিনা জামানতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যেই আমাদের শ্রমিক সংখ্যা বেশি কিন্তু সেখানে তেলের দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় এবং মহামন্দার অভিঘাতে সে সব দেশে বেশিরভাগ শ্রমিক আর যেতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে। আর তাই দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে প্রবাসে নতুন নতুন শ্রমবাজারের সন্ধান করতে হবে। তাছাড়া দেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প গ্রহণ করে এবং কৃষি ভিত্তিক শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সকল প্রবাস ফেরত শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া বিদ্যমান বেকার ও করোনার প্রভাবে বেকারসহ সকলের জন্য গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসূচি (কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মতো) গ্রহণ করে এবং মাইক্রো ও স্মল এন্টারপ্রেনারদেরকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে অত্যন্ত অল্প সুদে আরও প্রণোদনা দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

করোনার কারণে রপ্তানি বাজার পড়ে গেছে। এজন্য আমাদের এখন নতুন নতুন চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে হবে। যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশেই উৎপাদিত হতে পারে বিশ্বমানের পিপিই। বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং সংশ্লিষ্ট মেশিনারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ওষুধপ্রশাসনের তত্তাবধানে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে পারে। করোনা পরবর্তী বিশ্বে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং রপ্তানি খাত হিসাবে ঔষধ এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট মেডিকেল যন্ত্রপাতির চাহিদা বাড়বে। অতএব রপ্তানির জন্য আমরা এগুলোর দিকে এখনই নজর দেওয়া শুরু করতে পারি। আগামীতে অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে। উর্বর ভূমির দেশ হিসেবে আমরা আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন জোরদার করলে রপ্তানিতে সমূহ সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

আমাদের দেশ যেহেতু উন্নয়নশীল দেশ তাই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি বেশি। অর্থনৈতিক সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, এ প্রণোদনা প্যাকেজ আমাদের সাময়িক সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবে তবে দীর্ঘমেয়াদে তা দিয়ে আমাদের সকল সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও রূপরেখা প্রণয়ন।

করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে যে সব ডাক্তার, নার্স, ব্যাংকার, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ ফ্রন্টলাইন যোদ্ধারা লড়ছেন, আক্রান্ত হচ্ছেন, মারা যাচ্ছেন—সকলের উচিত সম্মান জানানো। করোনা যুদ্ধ শেষ হলে তাদের সংবর্ধনা ও সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা পদক দেওয়া যেতে পারে।

লড়াকু জাতিকে আবারও শানিত, ঐক্যবদ্ধ করে সামনে এগিয়ে নেয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী হাতে নিয়েছেন একের পর এক মেগা প্রজেক্ট। দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নশীল দেশে তুলে আনলেন, শুরু করলেন স্বাধীন দেশের দ্বিতীয় যুদ্ধ- ‘অর্থনৈতিক মুক্তিযুদ্ধ’। আর তখনই এই বিপর্যয়। বিগত শত বছরেও পৃথিবী এত বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়নি। এত বড় বিপর্যয়েও প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে তুলে নিলেন সমস্ত দায়িত্ব।

একদিকে যেমন আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হবে চলমান প্রকল্পগুলো শেষ করা, অন্যদিকে খাদ্যনিরাপত্তাসহ দেশের কৃষি ও শিল্প উৎপাদন অব্যাহত রেখে কর্মসংস্থান ধরে রাখা, নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা। বিকল্প আমদানি ও রপ্তানি বাজারের ব্যবস্থা করা। প্রবাসী শ্রমিকদের নতুন বাজারের সুযোগ  খোঁজা অব্যাহত রেখে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশে তাদের স্বল্পমেয়াদী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের এখন প্রকৃতি এবং মানুষবান্ধব টেকসই মানবকল্যাণমূলক স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে- যার নেতৃত্ব দেবেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। একমাত্র তিনিই পারবেন ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মতো এ দেশের আপামর জনসাধারণকে একত্রিত করে আরেকটি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। যে যুদ্ধ হবে ‘অর্থনৈতিক মুক্তিযুদ্ধ’।

লেখক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড; সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি (বিইএ); সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ)

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত