একের পর এক ড্রোন হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন লিবিয়ার বিদ্রোহী কমান্ডার খলিফা হাফতার। সোমবার থেকে এই যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।
লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার গত কয়েকদিন ধরে দেশটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন হাফতার যোদ্ধাকে হত্যা করে। এর মধ্যে মিজদা শহরে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে খুনের ঘটনায় একজন অভিযুক্ত ছিলেন।
হাফতারের যুদ্ধবিরতির কথা শনিবার ঘোষণা করেন লিবিয়ার প্রতিবেশী দেশ মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি। আল-সিসি হাফতারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।
হাফতারসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি কূটনৈতিককে পাশে রেখে সংবাদ সম্মেলনে আল-সিসি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পদক্ষেপের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ৮ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।’
মিশরের ঘোষণার পর রাশিয়া থেকেও যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন জানানো হয়।
আল-সিসি বলেন, ‘এই পদক্ষেপ লিবিয়ায় নির্বাচিত সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত করবে।’
তিনি মনে করেন, যুদ্ধবিরতির ফলে নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ‘চরমপন্থি’ কার্যকলাপ বন্ধ হবে।
গাদ্দাফির পতনের পর ২০১১ সাল থেকে লিবিয়ায় অস্থিরতা বিরাজ করছে। পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের প্রশাসন নিজেদের ভেতর লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছে।
শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে ত্রিপোলি-ভিত্তিক প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। তাৎক্ষণিক তারা কোনো মন্তব্যও করেনি।
