করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। তার ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তাকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানান।
ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে জাফরুল্লাহ স্যারের ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এ জন্য তাকে সার্বক্ষণিক অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তাকে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেওয়া হয়েছে। খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে। ডাক্তার বলছেন, তিনি এখনো পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে সপ্তাহে তিন দিন জাফরুল্লাহ স্যারের ডায়ালাইসিস করা হলেও পরিস্থিতি সাপেক্ষে তার চিকিৎসক বর্তমানে প্রতিদিন ডায়ালাইসিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
গত ২৪ মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত র্যাপিড ডট ব্লট কিটে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। পরদিন তিনি নিজেই সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নমুনা পরীক্ষাতেও রেজাল্ট পজিটিভ আসে। গত ২৯ মে থেকে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফিজ ও অধ্যাপক ডা. নজীবের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। ডা. জাফরুল্লাহর করোনায় আক্রান্ত স্ত্রী ও ছেলে ধানমণ্ডির বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।
এদিকে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার মোবাইল ফোনে পাঠানো এক খুদে বার্তায় বলেন, ‘জাফর ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা ক্রিটিক্যাল। তবে স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে তাকে ভয়েস রেস্টে রাখা হয়েছে। অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।’ গতকাল তার পিসিআর টেস্ট করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
