গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে। তার ফুসফুসের সংক্রমণ কমছে। দিনের বেশিরভাগ সময়ই অক্সিজেন ছাড়া থাকছেন তিনি। তবে গলার ব্যথার কারণে কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে তার। গতকাল শুক্রবার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তার চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মামুন মোস্তাফী। তিনি আরও জানান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহর স্বাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তার আর জ¦র আসেনি। ফুসফুসে নিউমোনিয়ার সংক্রমণের ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। পরিমাণে অল্প হলেও নিয়মিত খাবার খাচ্ছেন তিনি। রুমের ভেতরে হাঁটাহাঁটি করতে পারছেন এ মুক্তিযোদ্ধা।
গত ২৫ মে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষাতেই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায়ও তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হওয়ার পরই তার স্ত্রী শিরীন হক ও ছেলে বারিশ চৌধুরীর শরীরেও করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। জাফরুল্লাহ চৌধুরী বর্তমানে তার স্থাপিত প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মামুন মোস্তাফী এবং অধ্যাপক ডা. নাজিব মোহাম্মদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।
