২০ দিন চিকিৎসার পর ‘করোনামুক্ত’ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গতকাল রবিবার হাসপাতাল থেকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে গিয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন। গতকাল দুপুরে দেশ রূপান্তরকে এ কথা জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তরপ্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম (৭২) গত শনিবার সকালে শ্যামলীর একটি হাসপাতালে মারা যান। গতকাল বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী মোর্চা ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা। মিন্টু বলেন, ‘সকালে স্যার নাসিমকে শেষ বিদায় জানানোর জন্য মন স্থির করেন। পরে তাকে বনানী নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় কেন্দ্রের র্যাপিড ডট ব্লট কিট প্রকল্পের সমন্বয়কারী ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার আমাদের সঙ্গে ছিলেন।’ পরে জাফরুল্লাহ চৌধুরী আবারও গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ফিরে যান বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে গত শনিবার রাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফেইসবুক পেজে ডা. জাফরুল্লাহর একটি ছবি পোস্ট করে বলা হয়, ‘তিনি এখন ‘করোনামুক্ত’। ডা. মুহিব উল্লাহর বরাত দিয়ে ওই পোস্টে আরও বলা হয়, গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়োটেক উদ্ভাবিত কিটে অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনাভাইরাস ‘নেগেটিভ’ এসেছে। তিনি এখনো নিউমোনিয়ায় ভুগছেন। তবে কৃত্রিমভাবে তাকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে না। ছবিটি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের তোলা বলেও ওই পোস্টে জানানো হয়।
গত ২৫ মে গণস্বাস্থ্যের কিটে নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরার পড়ার বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। পরে বিএসএমএমইউতে আরটি-পিসিআর টেস্টেও তার ফল পজিটিভ আসে। মাঝে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ডা. জাফরুল্লাহকে ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতলে রাখা হয়। গণস্বাস্থ্যের পক্ষ থেকে তার সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়াও চাওয়া হয়।
