শীর্ষের দলের বিপক্ষে তলানির দলের খেলা। হারানোর কিছু ছিল না লেগানেসের। পয়েন্টের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিয়েও বার্সেলোনাকে ঠেকাতে পারেনি দলটি। আনসু ফাতি ও লিওনেল মেসির দু’অর্ধের দু’গোলে প্রত্যাশিত জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা।
ন্যু ক্যাম্পে মঙ্গলবার ২-০ গোলে জিতেছে শিরোপাধারীরা। ফাতি প্রথমার্ধের শেষ দিকে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান মেসি।
দু’দলের প্রথম দেখায় পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। ফিরতি দেখায়ও তিন পয়েন্ট পেতে সংগ্রাম করতে হয়েছে দলটিকে।
লিগ ফেরার পর ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বার্সেলোনা শুরু করে ঢিমে তালে। পাঁচ পরিবতর্ন আনা স্বাগতিকদের শুরুতে চমকে দেয় লেগানেস। একাদশ মিনিটে বার্সেলোনার ত্রাতা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা ক্লেমোঁ লংলে। মেসির হেড থেকে বল পেয়ে শট নেন মিগেল গেররেরো। গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন ফরাসি ডিফেন্ডার লংলে। দুই মিনিট পর আবার সুযোগ পান গেররেরো। এবার দুরূহ কোণ থেকে তার নেওয়া শট দূরের পোস্টে লেগে ব্যর্থ হয়। ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নরা। তবে পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে খেলা লেগানেসের রক্ষণে গিয়ে তেমন একটা সুবিধা করতে পারছিল না তারা।
৩০তম মিনিটে ইভান রাকিতিচের চমৎকার ক্রসে একটুর জন্য হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি অঁতোয়ান গ্রিজমান। একের পর এক আক্রমণ করে যাওয়া স্বাগতিকরা জালের দেখা পায় ৪২তম মিনিটে। জুনিয়র ফিরপোর বাড়ানো বল পেয়ে জটলা থেকে গড়ানো শটে কিপারকে ফাঁকি দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন ফাতি। ৬৩তম মিনিটে নেলসন সেমেদোর কাছ থেকে বল পেয়ে জালে পাঠিয়েছিলেন গ্রিজমান। ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে গোল দেননি রেফারি। মেসির কাছ থেকে বল পাওয়ার সময় একটুর জন্য অফসাইডে ছিলেন খানিক আগে বদলি নামা সেমেদো। ৬৯তম মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। ডি-বক্সে তিনিই ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টি পেয়েছিল বার্সেলোনা। লা লিগায় পেনাল্টি থেকে এটি মেসির ৫৬তম গোল। স্পট কিকে সমান সংখ্যক গোল করেছিলেন মাদ্রিদের দুই দল আতলেতিকো ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ফরোয়ার্ড হুগো সানচেস। ৬১ গোল করে এই দুজনের ওপরে আছেন রোনালদো।
২৯ ম্যাচে ২০ জয় ও চার ড্রয়ে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে বার্সেলোনা। ২৮ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ আজ ঘরের মাঠে খেলবে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে।
