গাজীপুরে দুদিনে ৩ খুন

আপডেট : ২৭ জুন ২০২০, ০৬:৫১ এএম

গাজীপুর নগরীর পুবাইল এলাকায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আবুল কাশেম মোল্লা (২৭) নামে এক যুবককে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার সকালে নারায়ণকুল এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কাশেম উত্তর নারায়ণকুল এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ও রাতে আরও দুটি খুনের ঘটনা ঘটে নগরীতে।

কাশেমের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুবাইল থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার ভোরে ফোন পেয়ে কাশেম বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। সকালে নারায়ণকুল এলাকায় রাস্তার পাশে তার মরদেহ দেখে স্থানীয়রা থানায় ও স্বজনদের খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের মাথার পেছনে, চোখে ও হাতের কনুইয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হাতুড়ি বা রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নগরীর কাশিমপুর রওশন মার্কেট এলাকায় ফিরোজা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে তার স্বামী খুন করে বলে জানায় পুলিশ। ফিরোজা ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বালা নয়াপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার স্ত্রী। কাশিমপুর থানার ওসি আকবর আলী খান জানান, রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে সুরুজ স্ত্রী ফিরোজাকে শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। সুরুজকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর গাছা থানার কামারজুড়ি এলাকায় শাহীন (৩০) নামে এক গার্মেন্টসকর্মী সহকর্মীর হাতে খুন হন। শাহীন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার মেরিরহাট এলাকার মমতাজ মিয়ার ছেলে। গাছা থানার ওসি (তদন্ত) মো. মালেক খসরু খান জানান, শাহীন এবং অভিযুক্ত ওয়াজিদ কামারজুড়ি এলাকায় এনএস সোয়েটারে সাবকন্ট্রাকে লিংকিং সেকশনে কাজ করতেন। সকালে কারখানার ভেতরে দুজনের ঝগড়া হয়। দুপুরে খেতে বাসায় যাওয়ার সময় দুজনের মধ্যে ফের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওয়াজিদ কাঁচি দিয়ে শাহীনের বুকে আঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে তায়রুন্নেছা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত