ত্রাণ চুরির অভিযোগ

৯৪ চেয়ারম্যান মেম্বারের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট : ২৮ জুন ২০২০, ০৬:৩২ এএম

করোনা পরিস্থিতিতে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারের বরাদ্দ করা খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠা ৯৪ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুর্নীতির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের এই ৩০ চেয়ারম্যান ও ৬৪ সদস্যকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কমিশনের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেলের নেতৃত্বাধীন যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এই ৯৪ জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গতকাল শনিবার দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া এসব জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ভুয়া মাস্টাররোলের মাধ্যমে সরকারি চাল আত্মসাৎ, সরকারি ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণ না করে কালোবাজারে বিক্রি, জেলেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাৎ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থসহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম এবং উপকারভোগীদের ভুয়া তালিকা প্রণয়ন করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠা জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘ইতিমধ্যে কমিশন সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ২১টি মামলা করেছে। এসব মামলায় অনেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। মামলাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। নতুন করে এই ৯৪ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। আমরা আশা করি জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে সবাই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।’

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ত্রাণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কারও প্রতি ন্যূনতম নমনীয় হওয়ার সুযোগ নেই। ত্রাণ দুর্নীতিবাজ প্রত্যেককেই আইনের মুখোমুখি হতে হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত