করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। হলের মতো বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেস থেকেও শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, দীর্ঘ তিন মাস তারা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও অস্বাভাবিক বিল এসেছে।
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি মেসের আটটি কক্ষে তারা বন্ধুরা মিলে থাকতেন। তিন মাস হলো মেস বন্ধ। এখন জেনেছেন, ১১ হাজার ৩০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল এসেছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে মাসে এক হাজারের বেশি আসে না। আমরা না থাকাকালে কী ভূতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে, ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সাইফুল ইসলাম জানান, কুমিল্লা শহরে তাদের মেসে কেউ না থাকলেও তিন মাসে বিল এসেছে আড়াই হাজার টাকা। মেসমালিক ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য ফোন করে চাপ দিচ্ছেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মেসভাড়া মওকুফের আশ্বাস দিলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ বিল শিক্ষার্থীদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হলো।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘মেসে না থাকলে শিক্ষার্থীরা কেন এই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে? তারা সর্বোচ্চ মিটারের স্বাভাবিক চার্জ বহন করতে পারে। ভুতুড়ে বিল মেসমালিক ও বিদ্যুৎ অফিস বুঝবে।’
