শেনজেন ভিসা ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৬টি দেশ নিয়ে তৈরি ব্লককে শেনজেন কান্ট্রিস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জুলাইয়ের শুরু থেকে এসব দেশের সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা। এ সময়ে এসব দেশে প্রবেশের ভিসা বৈধ হবে ৫৪টি দেশের জন্য। তবে প্রতিবেশী ভারত, মিয়ানমার আর ভুটান ওই তালিকায় থাকলেও তালিকায় নেই বাংলাদেশ।
ইইউর অফিশিয়াল সাইটের তথ্য অনুযায়ী, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। শেনজেন ভিসার মাধ্যমে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে অবারিতভাবে ভ্রমণ করা যায়।
এদিকে ইউরোনিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইইউর সদস্য দেশগুলোর সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর কোন দেশগুলো শেনজেনের আওতায় থাকবে না, এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবারের আলোচনায় তারা একমত হতে পারেননি। ফলে তাদের আলোচনা শুক্রবার পর্যন্ত চলে। কোন দেশের নাগরিকরা শেনজেন ভিসা পাবেন আর কোন দেশের নাগরিকরা পাবেন না তা নিয়ে ইইউ কর্মকর্তারা একমত না হওয়ায় তালিকা নিয়ে এখনই বিতর্ক শুরু হয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশিত ইইউর নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, একটি দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কত সেটিকে বিবেচনায় নিয়ে তালিকা করা হবে। ওই সময় বলা হয়েছিল, ৪৭টি দেশ শেনজেন ভিসা সুবিধার আওতায় থাকবে। আর তালিকার বাইরে থাকবে ৫৪টি দেশ। এখন দেখা যাচ্ছে খসড়া তালিকায় ৫৪টি দেশকে রাখা হয়েছে। যা থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে তালিকায় থাকা দেশের সংখ্যায় হেরফের হবে। আর তালিকা নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় ১ জুলাই থেকে ইইউর সীমান্ত খোলার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যেতে পারে।
তালিকায় একটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের হারকে যে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করছে ইইউর সদস্য দেশগুলো। সংক্রমণের হার নিয়ে সন্দেহ পোষণকারীদের যুক্তি হচ্ছে এক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহামারী নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ইসিডিসিকে এগিয়ে আসতে হবে। আর তালিকা প্রতি দুই সপ্তাহ পরপর হালনাগাদ করতে হবে।
