চুক্তিভিত্তিক লেনদেনে ডিএসইর বেচাকেনা ১০ গুণ বাড়ল

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২০, ০৭:৪৬ এএম

বহুজাতিক কোম্পানি গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের মালিকানা বদলের কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে হঠাৎ করেই উল্লম্ফন দেখা গেছে। এতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১০ গুণ। গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন ছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডগুলো নিজেদের মধ্যে ব্লক মার্কেটের লেনদেনের কারণেও ডিএসইতে কেনাবচা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ৩ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ২৮৪ কোটি টাকা। ডিএসইর মোট লেনদেনের ৯০ শতাংশই এসেছে ব্লক মার্কেটের চুক্তিভিত্তিক কেনাবেচা থেকে।

জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর ব্লক মার্কেটে ৭৯টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ব্লক মার্কেটে এসব কোম্পানির ৩ হাজার ৩১ কোটি ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বড় লেনদেন হয়েছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের শেয়ার। এই কোম্পানির মালিকানা বদলের কারণে উদ্যোক্তা শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ২ হাজার ২০ কোটি টাকায়। এ ছাড়া আইসিবির মিউচুয়াল ফান্ডগুলো এই কোম্পানির ৪১৫ কোটি টাকার শেয়ার নিজেদের মধ্যে লেনদেন করে। এ ছাড়া ইউনাইটেড পাওয়ারের ৪৪০ কোটি টাকার শেয়ার ব্লক মার্কেটে কেনাবেচা হয়েছে।

ব্লক মার্কেটে লেনদেনের উল্লম্ফনে গত সপ্তাহে ডিএসইর গড় লেনদেন দাঁড়ায় ৮৩৩ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল মাত্র ৫৬ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটে লেনদেন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডিএসইতে দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যাও কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৮টির, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৩টির। দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা বাড়ায় গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট।

এদিকে ফ্লোর প্রাইসের কারণে মূল বাজারে ক্রেতাসংকট থাকায় বেশির ভাগ শেয়ারের দর আগের সপ্তাহেও অপরিবর্তিত ছিল। গত সপ্তাহে ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৩৪৭টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর অপরিবর্তিত ছিল ২৮১টির, যা আগের সপ্তাহে ছিল ২৮৩টি। এ ছাড়া গত সপ্তাহে লেনদেন হয়নি ১৩টি সিকিউরিটিজের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত