বিদেশ থেকে আসা স্ক্র্যাপে মিলল ‘তাজা গ্রেনেড’!

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২০, ০৫:৪৩ এএম

বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেডের মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় কারখানা থেকে একটি ‘তাজা গ্রেনেড’ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে উদ্ধারের পর সন্ধ্যায় গ্রেনেডটি চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা নিষ্ক্রিয় করে।

বিএসআরএম সোনাপাহাড় কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন মোল্লা দেশ রূপান্তরকে জানান, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে শ্রমিকরা কারখানার স্ক্র্যাপের (লোহা তৈরির কাঁচামাল) মধ্যে গ্রেনেড সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পায়। শ্রমিকরা বিষয়টি বিএসআরএমের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানায়। কর্মকর্তারাও বস্তুটি দেখতে পায় এবং তারা স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয়। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই বস্তুটি গ্রেনেড বলে নিশ্চিত হয়।

দেলোয়ার হোসেন মোল্লা দেশ রূপান্তরকে আরও জানান, লোহার এসব কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ডেনমার্ক থেকে আমদানি করা হয়। গ্রেনেড যেখানে পাওয়া যায় সেই স্ক্র্যাপগুলো কোন দেশ থেকে এসেছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য বুধবার থেকে বিএসআরএম কর্র্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। আমদানি করা স্ক্র্যাপগুলো একসঙ্গে একই স্থানে রাখা হয় বলে গ্রেনেড পাওয়া স্ক্র্যাপগুলো কোন দেশের তা নিশ্চিত হতে সময় লাগছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত গ্রেনেড পাওয়া স্ক্র্যাপগুলো কোন দেশের তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জোরারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন ফারুকী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে বিএসআরএম কারখানা থেকে জানানো হয় বিদেশ থেকে আনা স্ক্র্যাপের মধ্যে গ্রেনেড সদৃশ একটা বস্তু দেখা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে লোহার রড তৈরির কাঁচামালের মধ্যে আমরাও একটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু দেখতে পাই। বিষয়টি সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যদের জানালে তারা এসে সন্ধ্যায় গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত