ফেস মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ড গ্লাভস এখন আমাদের নিত্য অনুষঙ্গ। এসবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ত্বকের পরিচর্যা ও মেকআপে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতেই এই পরিবর্তন। ফেস মাস্ক ব্যবহারের কারণে এখন লিপস্টিক ব্যবহার করা ঝামেলা। তাই এই সময় অন্যান্য সাজসজ্জার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। লিপস্টিক না দিয়েও কীভাবে সাজসজ্জায় পরিবর্তন আনা যায়? জানালেন বিউটি ব্লগার নাহিন ইসলাম
ফাউন্ডেশন আপাতত বাদ
ফেস মাস্কে মুখের প্রায় অর্ধেকটাই ঢাকা থাকে। তাই এই সময় মুখে ফাউন্ডেশন বাদ দিন। ময়েশ্চারাইজার দেওয়ার পর ফাউন্ডেশন ও প্রাইমার ব্যবহার করলে ত্বক অনেক ভারী হয়ে যায়। স্বাভাবিক শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। তবে ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। মুখের যে অংশগুলো হাইলাইট করা যায় সেখানে কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন।
নিয়ম মেনে সাজগোজ
এমন প্রসাধন বেছে নিতে হবে যা ফেস মাস্কের নিচে ঘেমে নষ্ট না হয়ে যায়। লিকুইড প্রসাধনের চেয়ে পাউডারবেইজড প্রসাধনী বেছে নিতে হবে। এছাড়া যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করলে দীর্ঘসময় ঠিক থাকে, ঘামে বা বাইরের ধুলাবালিতে নষ্ট হয় না সেগুলো বাছাই করতে হবে। তৈলাক্ত প্রসাধনী পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।
গুরুত্ব চোখের মেকআপে
করোনাকালীন সাজগোজে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে চোখের মেকআপে এবং আইব্রোতে। একজোড়া সুন্দর ব্রো চেহারায় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। তাই সুন্দর করে আইব্রো শেপ করে নিন। প্রয়োজনে আই পেন্সিল দিয়ে ব্রো আঁকুন। এরপর চোখের পাপড়িতে ট্রান্সপারেন্ট মাশকারা দিন।
বেছে নিন গাঢ় আইশ্যাডো
চোখের সাজের বিরাট অংশ জুড়ে থাকে আইশ্যাডো। চোখ সাজাতে ব্যবহার করতে পারেন স্মোকি, গ্লিটার কিংবা প্যাস্টেল আইশ্যাডো। এর সঙ্গে দিন রঙিন মাশকারা।
লিপ জেল বা লিপবাম
করোনাকালীন আমরা সবাই লিপস্টিক মিস করছি। ঠোঁটের যত্নে বা সাজাতে কিছু না ব্যবহার করলেই নয়। এছাড়াও মাস্কের ভেতরে গরম ও একটা দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থাকে। এই পরিস্থিতিতে ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। ঠোঁটের যত্নে ময়েশ্চারসমৃদ্ধ লিপ বাম বেছে নিতে পারেন। যা ঠোঁট সজীব ও সতেজ রাখবে।
