সাউদাম্পটন টেস্টে দারুণ নৈপুণ্যে দেখিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জ্যাসন হোল্ডার। যার ছাপ পড়েছে আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও। বোলারদের তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এসেছেন এই ক্যারিবিয়ান। যা তার ক্যারিয়ারসেরা অবস্থান।
ইংল্যান্ডে বিপক্ষে সাউদাম্পটন টেস্ট জিতে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেছে ক্যারিবীয়রা। টেস্টে দুই ইনিংস মিলে ৭ উইকেট নেন হোল্ডার। প্রথম ইনিংসে ৪২ রান খরচায় নেন ৬ উইকেট। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।
আগে থেকেই টেস্টের অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন হোল্ডার। বোলার হিসেবে তার রেটিং এখন ৮৬২। সবশেষ ২০ বছরে ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। সবশেষ ২০০০ সালে ৮৬৬ রেটিং পয়েন্ট ছিল কিংবদন্তি কোর্টনি ওয়ালশের।
ব্যাটসম্যানদের তালিকায় হোল্ডার ৩৫তম অবস্থান ধরে রেখেছেন। শীর্ষ অলরাউন্ডার হিসেবে তার রেটিং এখন ৪৮৫। এটিও তার ক্যারিয়ারসেরা রেটিং। এই তালিকায় বেন স্টোকসের সঙ্গে লড়াই হোল্ডারের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্টোকসের রেটিং ৪৩১। তবে সাউদাম্পটন টেস্টের পারফরম্যান্সে ব্যবধান ৬৬ থেকে ৫৪-এ কমিয়ে আনতে পেরেছেন স্টোকস।
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে আগের ৯ নম্বর জায়গাটা ধরে রেখেছেন জো রুটের বদলে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা স্টোকস। ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্টোকসের ওপরে কেবল জো রুট (অষ্টম)। আর বোলারদের তালিকায় স্টোকস এগিয়েছেন তিন ধাপ। ২৩ নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।
ইংল্যান্ডের অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন রোরি বার্নস। জায়গা করে নিয়েছেন সেরা ৩০-এ। জ্যাক ক্রাউলি ঢুকেছেন ১০০-তে।
৯ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয়দের জয়ের নায়ক ছিলেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। এই পারফরম্যান্সে তার রেটিং ৪৬ বেড়ে ৭২৬ দাঁড়িয়েছে। আছেন ১৮তম স্থানে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিবীয়দের হয়ে ৯৫ রানের ইনিংস খেলা জার্মেইন ব্ল্যাকউড ১৪ ধাপ এগিয়ে এখন ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে আছেন ৫৮তম স্থানে। শন ডউরিচ ৬১ ও ২০ রানের ইনিংস খেলে ক্যারিয়ার সেরা ৩৭তম স্থানে উঠেছেন।
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে যথারীতি অস্ট্রেলিয়ার স্টিভেন স্মিথ। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে তার স্বদেশি প্যাট কামিন্স। দলীয় র্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া।
