খুলনা, নড়াইল ও মৌলভীবাজারে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে তিনজন বৃদ্ধ, দুজন যুবক এবং একজন নারী রয়েছেন। বিস্তারিত নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরেÑ
খুলনা : খুলনায় করোনা উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার মধ্যরাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, নগরীর খালিশপুরের নয়াবাটি এলাকার আবদুল হালিম (৩৭) কয়েক দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। সোমবার তাকে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। গতকাল বেলা ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। সোমবার রাতে করোনা ওয়ার্ডে মারা যান খুরশিদা আক্তার (৫৬) নামে এক নারী। তিনি নগরীর রামচন্দ্র দাস লেনের মোল্লা আলিম হোসেনের স্ত্রী। এদিন রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মতিয়ার (৪৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সোমবার রাতে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। তার বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মহাদেবপুর এলাকায়। একই রাতে যশোর শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়ার দিলীপ রায় (৬৪) মারা যান। তিনি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ১৩ জুলাই বিকেলে খুমেক হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। মৃতদের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান মিজানুর।
নড়াইল : জ্বর ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে নড়াইল সদর হাসপাতালে কুটি মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। সিভিল সার্জন ডা. আবদুল মোমেন জানান, লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল গ্রামের কুটি মিয়া করোনা উপসর্গ নিয়ে সোমবার দুপুরে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। রাতে তিনি মারা যান। মৃত্যুর পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) : মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শ্রীনাথপুর গ্রামে শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে ইয়াবর আলী (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে তিনি মারা যান। স্থানীয়রা জানান, রাতে ইয়াবর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গতকাল মৃত ব্যক্তির জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
