সাহেদ কীভাবে বেরিয়ে যাবে, কীভাবে প্রতারণা করবে সব সময় ফাঁকফোকর খুঁজেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সাহেদ গ্রেপ্তার হওয়া উপলক্ষে গতকাল বুধবার ধানম-ির বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সাহেদের মতো প্রতারকরা বাদ যাবে না কেউ। তাদের ধরা পড়তেই হবে। প্রতারকরা সব সময় কোনো না কোনো ফাঁকফোকর বের করে নেয়। সেজন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীও সব সময় সজাগ থাকে। আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। যেদিনই প্রতারকরা প্রকাশিত হচ্ছে। তখনই আমরা তাকে ধরছি। প্রতারকরা কেউ বাদ যাবে না, এই জায়গায় আমরা শক্ত অবস্থানে আছি। সামনে আরও ধরা পড়বে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গি দমন করে যাচ্ছে। কভিড-১৯ এর সময়ও তারা নির্ভয়ে সেবা দিচ্ছেন। এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অনন্য কাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সাহেদ বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণা করেছে। কিন্তু এবার সব কিছু উদঘাটন করে আইনের কাছে বা বিচারকের কাছে আমরা হস্তান্তর করব। সে যাতে আর কোনো ধরনের প্রতারণা করতে না পারে, সে যেন আর কোনো সুযোগ না পায় সেটা আমরা দেখব।’
সাহেদ বিভিন্ন দলে ছিল। এখন সরকারি দলে এসে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও প্রতারণা করছে। সে ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘যাতে এসব লোক যাচাই-বাছাই ছাড়া কমিটিতে আসতে না পারে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সে অনেক কিছুই করেছে। অনেক ফাঁকফোকরের সুযোগ নিয়েছে। এজন্য দলের হোক কিংবা যেকোনো ব্যক্তি হোক আমাদের প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, আমাদের দলের হোক কিংবা আমাদের জনপ্রতিনিধি হোক কিংবা সরকারি কর্মকর্তা হোক, কেউ কিন্তু বাদ যাচ্ছেন না। কাজেই এটা আমাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি দলে প্রবেশ করানোর আগে আরও ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সব সময় এটি বলে আসছেন। তিনি এ ব্যাপারে অনেক যাচাই-বাছাই করে দল চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে। আমরা মনে করি এই ফাঁকফোকর দিয়ে যারাই দু-একজন বের হচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে আমরা দল থেকে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
