শ্যুটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে আমির
মুম্বাইয়ে করোনার দাপট বেড়েই চলেছে। এদিকে বলিউডও নিজের ছন্দে ফিরতে মরিয়া। কিন্তু করোনার কারণে কিছুতেই পেরে উঠছে না। মহারাষ্ট্র সরকার শ্যুটিং শুরুর অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু সেখানে রয়েছে নানান শর্ত। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রবীণ অভিনেতারা। কারণ, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সের শিল্পীরা এখানে কাজ করতে পারবেন না। তাই নির্মাতাদের কপালেও দুশ্চিন্তার বলিরেখা। তাই বলিউড তারকাদের মধ্যে ভারত ছাড়ার হিড়িক পড়েছে। স্বাভাবিক নিয়মে শ্যুটিং শুরু করার জন্য দেশের বাইরে চলে যেতে চাইছেন নির্মাতারা। কেবল সেই সব দেশে, যেখানে শ্যুটিংয়ে সরকারের কোনো বাধানিষেধ নেই। কিছুদিন আগে খবর এসেছিল, আরেক সুপারস্টার অক্ষয় কুমার ‘বেল বটম’ ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন। আগামী মাসে এই মুভি দলের লন্ডনে যাওয়ার কথা। এবার নাকি সেই পথে হাঁটতে চলেছেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। শোনা যাচ্ছে, আমির খানও দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ‘লাল সিং চাড্ডা’ ছবির শ্যুটিং শেষ করতে সিনেমার পুরো দল নিয়ে উড়াল দেবেন তিনি। তবে কোথায় যাবেন, গোপনীয়তার স্বার্থে সেই খবর গোপন রাখা হবে। জানা গেছে, ‘লাল সিং চাড্ডা’র দল এই মুভির সঙ্গে জড়িত সব অভিনয়শিল্পী ও কর্মচারীদের পাসপোর্টের বিবরণ চেয়েছে। আমিরও মনেপ্রাণে চাইছেন সেপ্টেম্বরে এই মুভির শ্যুটিং শুরু করতে। হলিউডের অস্কারজয়ী মুভি ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর রিমেক আমিরের এই মুভি। অদ্বৈত চন্দন পরিচালিত এই মুভিতে আমির খানের বিপরীতে কারিনা কাপুর খানকে দেখা যাবে।
ব্রিটনির জন্য ভক্তদের আন্দোলন
প্রিয় শিল্পীকে নিয়ে ভক্তদের উচ্ছ্বাসের কোনো কমতি থাকে না। শিল্পীর ভালো-খারাপ সময়ে এই ভক্তরাই তাদের পাশে থাকেন। জনপ্রিয় পপসংগীত শিল্পী ব্রিটনি স্পিয়ার্সের ক্ষেত্রে ঘটেছে তেমনি এক ঘটনা। অর্থ-সম্পদ ও ব্যক্তিগত জীবনে ব্রিটনির অধিকার ফিরিয়ে আনতে ‘হ্যাশ ট্যাগ ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলন শুরু করেছিলেন ভক্তরা। ব্যক্তিজীবনে অনেক দিন ধরেই ভালো নেই এই তারকা গায়িকা। এ বছরের শুরুতে পঞ্চম বিবাহবিচ্ছেদ হয় ব্রিটনির। জানা যায়, পরিবার অর্থাৎ তার নিজের বাবার সঙ্গেও সুসম্পর্ক নেই গায়িকার। কারণ, বেশ কয়েক বছর আগে আদালতের নির্দেশে বাবা জেমি স্পিয়ার্স ব্রিটনির অর্থ-সম্পদের দেখভাল ও ব্যক্তিগত সব সিদ্ধান্ত নেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ২০০৮ সাল থেকে সংরক্ষণশীল ব্যবস্থায় সব ব্যক্তিস্বাধীনতা হারিয়েছেন ব্রিটনি। মূলত ডিমেনশিয়া বা যেকোনো মানসিক অসুস্থতায় যারা ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে মার্কিন আদালত এমন রায় দিয়ে থাকে। তবে এরই মধ্যে কয়েকবার বাবা জোর করে তাকে মানসিক অসুস্থ হিসেবে প্রমাণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রিটনি।
